admin

শীতকালে কুয়াশা, ঠান্ডা ও দুর্ঘটনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার উপায়।

শীতকাল মানেই ঠান্ডা হাওয়া, ঘন কুয়াশা, মিঠে রোদ এবং প্রকৃতির এক অন্য রূপ। কিন্তু এই ঋতুতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভোরের ঘন কুয়াশা, রাস্তায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং অসতর্কভাবে চলাফেরা করার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, অসুস্থ মানুষ এবং যাঁদের প্রতিদিন ভোরে…

Read More

পাচমাড়ি: মধ্যপ্রদেশের সাতপুরা পাহাড়ের রানি, ঘন অরণ্য, জলপ্রপাত, প্রাচীন গুহাচিত্র ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে এক অনন্য ভ্রমণকাহিনি।

ভূমিকা: মেঘ, পাহাড় আর সবুজের রাজ্যে ভারতের বুকে এমন কিছু পাহাড়ি গন্তব্য রয়েছে, যেখানে পৌঁছলে মনে হয় প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়ে রেখেছে এক অপূর্ব স্বপ্নের পৃথিবী। কোথাও পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে এসেছে জলপ্রপাত, কোথাও ঘন অরণ্যের মধ্যে হারিয়ে গেছে সরু পথ, আবার কোথাও পাথরের গুহার দেয়ালে আজও টিকে রয়েছে প্রাচীন মানুষের জীবনের চিহ্ন। মধ্যপ্রদেশের পাচমাড়ি…

Read More

ডামান: আরব সাগরের তীরে পর্তুগিজ ঐতিহ্য, প্রাচীন দুর্গ, নির্জন সৈকত ও উপকূলীয় জীবনের এক অনন্য ভ্রমণকাহিনি।

ভূমিকা: সমুদ্রের হাওয়ায় ইতিহাসের স্পর্শ ভারতের পশ্চিম উপকূলে এমন কিছু জায়গা রয়েছে, যেগুলি একদিকে সমুদ্রের শান্ত সৌন্দর্যে ভরপুর, অন্যদিকে ইতিহাসের নানা অধ্যায়কে আজও বয়ে নিয়ে চলেছে। কোথাও পুরোনো দুর্গের দেয়ালে জমে আছে ঔপনিবেশিক সময়ের স্মৃতি, কোথাও গির্জার স্থাপত্যে ধরা পড়েছে ইউরোপীয় প্রভাব, আবার কোথাও জেলেদের নৌকা, মাছের বাজার আর সন্ধ্যার সমুদ্রতীর মিলে তৈরি করেছে এক…

Read More

সাসারাম: শের শাহ সুরির ঐতিহাসিক সমাধি, প্রাচীন দুর্গ, রহস্যময় গুহা ও বিহারের ইতিহাসে হারিয়ে যাওয়া এক বিস্ময়কর জনপদ।।

ভূমিকা: ইতিহাস যেখানে পাথরের গায়ে লেখা ভারতের ইতিহাসে এমন কিছু শহর রয়েছে, যেগুলি আজকের দিনে খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও অতীতের রাজনৈতিক উত্থান-পতন, স্থাপত্যের বিকাশ এবং সভ্যতার পরিবর্তনের অসাধারণ সাক্ষী হয়ে রয়েছে। বিহারের সাসারাম তেমনই একটি ঐতিহাসিক জনপদ। এখানে দাঁড়িয়ে আছে মধ্যযুগের অন্যতম শক্তিশালী শাসক শের শাহ সুরির স্মৃতিবিজড়িত সমাধি, প্রাচীন দুর্গের ধ্বংসাবশেষ, পাহাড়ের গায়ে…

Read More

ওড়িশার বারিপদা: সিমলিপালের অরণ্য, প্রাচীন মন্দির, আদিবাসী সংস্কৃতি ও উত্তর ওড়িশার এক অনাবিষ্কৃত ভ্রমণজগৎ।

ভূমিকা: পরিচিত পর্যটন মানচিত্রের বাইরে এক অন্য ওড়িশা ভারতের পূর্ব উপকূলের রাজ্য ওড়িশা বললেই অধিকাংশ মানুষের মনে ভেসে ওঠে পুরীর জগন্নাথ মন্দির, কোনারকের সূর্য মন্দির, চিলিকার নীল জল কিংবা ভুবনেশ্বরের প্রাচীন স্থাপত্য। কিন্তু এই পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রগুলির বাইরেও ওড়িশার এমন কিছু অঞ্চল রয়েছে, যেখানে প্রকৃতি, ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি এবং মানুষের জীবনযাত্রা একসঙ্গে মিশে তৈরি করেছে এক অনন্য…

Read More

কর্ণাটকের কুर्ग: কুয়াশায় ঢাকা কফিবাগান, পশ্চিমঘাটের সবুজ পাহাড়, জলপ্রপাত ও প্রকৃতির কোলে এক স্বপ্নের ভ্রমণ।

ভূমিকা: যেখানে পাহাড়ের কুয়াশায় হারিয়ে যায় শহরের ক্লান্তি পৃথিবীর কিছু জায়গা আছে, যেখানে পৌঁছনোর পর মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের হাতে সাজিয়ে রেখেছে প্রতিটি দৃশ্য। চারদিকে সবুজ পাহাড়, পাহাড়ের ঢালে কফির বাগান, গাছের পাতায় জমে থাকা শিশির, দূরে ভেসে আসা পাখির ডাক আর সকালবেলার কুয়াশায় ঢেকে থাকা আঁকাবাঁকা রাস্তা—এমনই এক স্বপ্নময় ভূখণ্ডের নাম কুर्ग। দক্ষিণ…

Read More

যে গাছটি কারও ছায়া কেড়ে নেয়নি।।

শহরের মাঝখানে ছিল একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ। তার শিকড় মাটির গভীরে নেমে গিয়েছিল, ডালপালা ছড়িয়ে পড়েছিল চারদিকে। গরমের দুপুরে রিকশাচালকরা তার নিচে বিশ্রাম নিতেন, স্কুলফেরত শিশুরা বসে গল্প করত, আর বিকেলে বয়স্ক মানুষদের আড্ডায় মুখর হয়ে উঠত গাছতলা। কিন্তু শহর বদলাচ্ছিল। রাস্তা চওড়া করার পরিকল্পনা হল। নতুন বাজার, গাড়ি রাখার জায়গা আর আধুনিক দোকান তৈরি…

Read More

আয়নার দোকানে অদ্ভুত নিয়ম।।

শহরের পুরোনো বাজারে একটি ছোট দোকান ছিল, যার নাম ‘আয়নাঘর’। দোকানের বাইরে কোনো বড় সাইনবোর্ড ছিল না। কাঠের দরজার ওপরে শুধু পিতলের অক্ষরে নামটি লেখা ছিল। দোকানের ভিতরে ছোট-বড় নানা আয়না সাজানো থাকত। কোনোটি গোল, কোনোটি চৌকো, কোনোটি আবার এমনভাবে বাঁকানো যে তাতে মুখ দেখলে মানুষকে অদ্ভুত লাগত। দোকানটির মালিক ছিলেন অদ্বৈতবাবু। বয়স সত্তরের কাছাকাছি।…

Read More

যে রাতে নদী পথ হারিয়েছিল।।।

চন্দ্রপুর নামে একটি ছোট শহর ছিল নদীর ধারে। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম ছিল কপোতাক্ষী। বর্ষায় নদী ফুলে উঠত, শীতকালে শান্ত হয়ে যেত। শহরের মানুষ নদীকে ভালোবাসত, আবার একটু ভয়ও পেত। কারণ নদী কখনো কখনো এমনভাবে নিজের গতিপথ বদলাত যে, বহু বছরের পরিচিত দৃশ্যও এক রাতে অচেনা হয়ে উঠত। শহরের প্রান্তে থাকত পনেরো…

Read More

শেষ পাতার অসমাপ্ত ছবি।।

শহরের এক কোণে ছিল একটি পুরোনো গণগ্রন্থাগার। দোতলা বাড়িটির দেয়ালে শ্যাওলা জমেছিল, কাঠের জানালাগুলির রং উঠে গিয়েছিল, আর বর্ষাকালে ছাদের এক জায়গা দিয়ে জল পড়ত। তবু প্রতিদিন বিকেলে সেখানে কয়েকজন মানুষ আসতেন। কেউ খবরের কাগজ পড়তেন, কেউ চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেন, আর কেউ নিছক বইয়ের গন্ধে হারিয়ে যেতেন। সেই গ্রন্থাগারের দেখাশোনা করতেন অবসরপ্রাপ্ত ডাকঘরকর্মী হরিপদবাবু।…

Read More