Trending News

All
fashion
technology

Category Collection

যে গাছটি কারও ছায়া কেড়ে নেয়নি।।

শহরের মাঝখানে ছিল একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ। তার শিকড় মাটির গভীরে নেমে গিয়েছিল, ডালপালা ছড়িয়ে পড়েছিল চারদিকে। গরমের দুপুরে রিকশাচালকরা তার নিচে বিশ্রাম নিতেন, স্কুলফেরত শিশুরা বসে গল্প করত, আর বিকেলে বয়স্ক মানুষদের আড্ডায় মুখর হয়ে উঠত গাছতলা। কিন্তু শহর বদলাচ্ছিল। রাস্তা চওড়া করার পরিকল্পনা হল। নতুন বাজার, গাড়ি রাখার জায়গা আর আধুনিক দোকান তৈরি…

Read More

আয়নার দোকানে অদ্ভুত নিয়ম।।

শহরের পুরোনো বাজারে একটি ছোট দোকান ছিল, যার নাম ‘আয়নাঘর’। দোকানের বাইরে কোনো বড় সাইনবোর্ড ছিল না। কাঠের দরজার ওপরে শুধু পিতলের অক্ষরে নামটি লেখা ছিল। দোকানের ভিতরে ছোট-বড় নানা আয়না সাজানো থাকত। কোনোটি গোল, কোনোটি চৌকো, কোনোটি আবার এমনভাবে বাঁকানো যে তাতে মুখ দেখলে মানুষকে অদ্ভুত লাগত। দোকানটির মালিক ছিলেন অদ্বৈতবাবু। বয়স সত্তরের কাছাকাছি।…

Read More

যে রাতে নদী পথ হারিয়েছিল।।।

চন্দ্রপুর নামে একটি ছোট শহর ছিল নদীর ধারে। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম ছিল কপোতাক্ষী। বর্ষায় নদী ফুলে উঠত, শীতকালে শান্ত হয়ে যেত। শহরের মানুষ নদীকে ভালোবাসত, আবার একটু ভয়ও পেত। কারণ নদী কখনো কখনো এমনভাবে নিজের গতিপথ বদলাত যে, বহু বছরের পরিচিত দৃশ্যও এক রাতে অচেনা হয়ে উঠত। শহরের প্রান্তে থাকত পনেরো…

Read More

শেষ পাতার অসমাপ্ত ছবি।।

শহরের এক কোণে ছিল একটি পুরোনো গণগ্রন্থাগার। দোতলা বাড়িটির দেয়ালে শ্যাওলা জমেছিল, কাঠের জানালাগুলির রং উঠে গিয়েছিল, আর বর্ষাকালে ছাদের এক জায়গা দিয়ে জল পড়ত। তবু প্রতিদিন বিকেলে সেখানে কয়েকজন মানুষ আসতেন। কেউ খবরের কাগজ পড়তেন, কেউ চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেন, আর কেউ নিছক বইয়ের গন্ধে হারিয়ে যেতেন। সেই গ্রন্থাগারের দেখাশোনা করতেন অবসরপ্রাপ্ত ডাকঘরকর্মী হরিপদবাবু।…

Read More

লবণের পাহাড়ে এক মুঠো মিষ্টি।

সমুদ্রের ধারে ছোট্ট শহরটির নাম ছিল নোনাজল। শহরের একদিকে বিস্তীর্ণ সমুদ্র, অন্যদিকে লবণ তৈরির মাঠ। বছরের বেশির ভাগ সময় সেখানে বাতাসে লবণের গন্ধ ভেসে বেড়াত। শহরের মানুষ সেই গন্ধে অভ্যস্ত হলেও বারো বছরের মেয়ে তিথির কাছে পৃথিবীটা ছিল অন্য রকম। সে প্রতিদিন এমন কিছু খুঁজত, যা অন্যদের চোখ এড়িয়ে যায়। তিথির বাবা ছিলেন জেলে। মা…

Read More

যে ছেলেটি হেরে গিয়েও জিতেছিল।

পুরুলিয়ার একটি ছোট শহরে থাকত অদ্বৈত। তার বাবা ছিলেন সাইকেল মেরামতির মিস্ত্রি। দোকানটি ছিল রেললাইনের পাশের সরু গলিতে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে সাইকেলের ঘণ্টা, পাম্পের শব্দ আর লোহার সঙ্গে লোহার ঠোকাঠুকি শোনা যেত। অদ্বৈতের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি ছিল গভীর আগ্রহ। তবে তার সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিল দাবা। স্কুলের লাইব্রেরিতে রাখা একটি পুরোনো দাবার…

Read More

রেস্তরাঁর মতো ফিশ অরলি।

ফিশ অরলি একটি জনপ্রিয় মাছের স্টার্টার, যেখানে মাছের টুকরো মশলা ও ব্যাটারে মাখিয়ে সোনালি করে ভাজা হয়। বাইরে মুচমুচে আবরণ আর ভিতরে নরম মাছ—এই দুইয়ের জন্যই পদটি বেশ জনপ্রিয়। বাড়িতে সহজ উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ফিশ অরলি। বিকেলের জলখাবার, পার্টি কিংবা অতিথি আপ্যায়নে এটি দারুণ মানায়। উপকরণ পরিবেশনের জন্য রান্নার পদ্ধতি প্রথম ধাপ:…

Read More

বাঙালি স্টাইলে মোচার চপ।

বাঙালির বিকেলের জলখাবারে চপের জনপ্রিয়তা চিরকালীন। আর সেই তালিকায় মোচার চপের জায়গা বেশ বিশেষ। কলার মোচা, আলু, ভাজা মশলা, নারকেল ও বাদামের মিশ্রণে তৈরি এই চপ বাইরে মুচমুচে এবং ভিতরে নরম ও সুস্বাদু হয়। একটু যত্ন নিয়ে বাড়িতেই তৈরি করা যায় কলকাতার দোকানের মতো মোচার চপ। উপকরণ পুর তৈরির জন্য বাইরের আবরণের জন্য রান্নার পদ্ধতি…

Read More

বাঙালি স্টাইলে পটলের দোলমা।

পটলের দোলমা বাঙালির একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু পদ। পটলের ভিতরে মশলাদার পুর ভরে হালকা ভেজে আলু, আদা, টমেটো ও সুগন্ধি মশলার ঝোলে রান্না করা হয় এই খাবার। নিরামিষ পুরের পাশাপাশি মাছ বা মাংস দিয়েও পটলের দোলমা তৈরি করা যায়। আজ রইল বাড়িতে সহজে বানানোর নিরামিষ পদ্ধতি। উপকরণ পটল ও পুরের জন্য ঝোলের জন্য রান্নার পদ্ধতি…

Read More

কলকাতা স্টাইলে মটরশুঁটির কচুরি ও আলুর দম।

১. মটরশুঁটির কচুরি প্রস্তুতির সময় ২০ মিনিট রান্নার সময় ৩০ মিনিট উপকরণ কচুরির ময়দার জন্য: পুর তৈরির জন্য: প্রণালী ধাপ ১: ময়দা মাখা একটি পাত্রে ময়দা, নুন এবং ঘি বা তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প জল দিয়ে শক্ত অথচ মসৃণ ময়দা মেখে ঢেকে ২০ মিনিট রেখে দিন। ধাপ ২: মটরশুঁটির পুর তৈরি…

Read More
যে গাছটি কারও ছায়া কেড়ে নেয়নি।।
আয়নার দোকানে অদ্ভুত নিয়ম।।
যে রাতে নদী পথ হারিয়েছিল।।।
শেষ পাতার অসমাপ্ত ছবি।।
লবণের পাহাড়ে এক মুঠো মিষ্টি।
যে ছেলেটি হেরে গিয়েও জিতেছিল।
রেস্তরাঁর মতো ফিশ অরলি।
বাঙালি স্টাইলে মোচার চপ।