Home Blog Page 2

মদনের বিরুদ্ধে অর্জুন-পুত্র পবন:

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনের উত্তাপে একদিকে রাজ্য রাজনীতি সরগরম।তার মধ্যেই রাজ্যে বিধানসভা উপ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পারদ চড়ছে।ভাটপাড়া বিধানসভা উপনির্বাচনে মদন মিত্র-এর বিপরীতে লড়াই-এ নামলেন অর্জুন সিং-এর ছেলে পবন কুমার সিং।বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্তের সিদ্ধান্তে পোড় খাওয়া রাজনীতিক মদন এর বিরুদ্ধে প্রার্থী পবন।অর্জুন সিল-এর শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত ভাটপাড়া বিধানসভায় আগামি ১৯ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন।


রাজনীতি-তে আনকোড়া পবন কুমার সিং-কিন্তু আশাবাদী।তার মতে মানুষের সাথে তার যোগাযোগ আছে,তাই তিনি জিতবেন।সদ্য বিদেশ ফেরত পবন,তার বাবার নির্বাচনী প্রচারে নিয়মিত অংশ নিচ্ছিলেন।এখন বিধানসভা উপ নির্বাচনের প্রচারে তাকে ঝাঁপিয়ে পরতে হবে।অর্জুন সিং-এর মতে ভাটপাড়া এক সময় তৃণমূলের গড় ছিল,আজ বিজেপি-র গড়।তাই বিজেপি-র পক্ষে যেই দাঁড়াবে সেই জিতবে।মদন মিত্র অবশ্য মাটি কামড়ে পরে থেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন অর্জুন সিং-এর দিকে।


অন্যদিকে জোর তরজা শুরু হয়েছে মদন-অর্জুনের মধ্যে।অর্জুন মদন মিত্র-কে মাতাল বলে কটাক্ষ করেন।মদন মিত্র পাল্টা নিজেকে দাঁতাল হাতি বলে বর্ণনা করেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এই ধরনের বেলাগাম মন্তব্যে রাজনৈতিক দলগুলির সৌজন্যের পরিবেশ ক্ষুন্ন হচ্ছে।ব্যারাকপুর লোকসভা নির্বাচনের সাথে সাথে ভাটপাড়া উপ নির্বাচনের ফলাফল কোন দিকে যায়,সে দিকেই তাকিয়ে রাজনফতিক মহল।কারন তৃণমূল-বিজেপি দু পক্ষের জন্যই সন্মান বাঁচানোর লড়াই।

ব্রেকিং নিউজ : আবার আক্রান্ত ডায়মন্ড হারবার সিপিআইএম প্রার্থী ফুয়াদ হালিম

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : ডায়মন্ড হারবার এর গুরুদাসনগরে বদরতলায় প্রচার চলাকালীন আক্রান্ত হয় ডায়মন্ড হারবার এর সিপিএম প্রার্থী কম: ফুয়াদ হালিম। অভিযোগ ,স্থানীয় তৃণমূল যুব সম্পাদক গৌতম অধিকারী এক পঞ্চায়েত প্রধান কে সঙ্গে নিয়ে প্রায় ২০/২৫ জন তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনী নিয়ে আক্রমণ চালায়।

প্রার্থী ফুয়াদ হালিম সহ সিপিএম কর্মীদের প্রচন্ড মারধর করে আটকে রাখা হয়। ডায়মন্ড হারবার থানাতে পুলিশ কে ফোন করে জানানো সত্ত্বেও কোনো সাহায্য আসেনি। পরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছায় কমব্যাট ফোর্স। তারাই লাঠি চার্জ করে প্রার্থী কে উদ্ধার করে।

এর আগে ডায়মন্ড হারবার স্রোতের পোলে মারাত্মক ভাবে আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তি হয়েছিলেন কম: ফুয়াদ হালিম। এই বার বার আক্রান্তের খবরে প্রাক্তন সিপিএম সংসদ শমীক লাহিড়ী বলেন – ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জির কেন্দ্রে বার বার আক্রান্ত হওয়া এটাই প্রমান করে যে তৃণমূল ভয় পেয়েছে লড়াইয়ের ময়দানে। তাই পেশি শক্তির আস্ফালন। গুন্ডা মাস্তানদের দিয়ে নির্বাচনে জয়লাভের চেষ্টা করছে তৃণমূল।

সিপিএম এর তরফে আজ নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।


কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার এর সন্ত্রাস নিয়ে কম: ফুয়াদ হালিম মুখোমুখি হয়েছিলেন আমাদের চ্যানেল এ। যার জেরেই আমাদের এক সাংবাদিক হুমকি ফোন ও পেয়েছেন। দেখুন সেই ভিডিও

মনোনয়ন দাখিল করলেন নরেন্দ্র মোদী

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : আজ বারানসী লোকসভা কেন্দ্র-এ মনোনয়ন জমা দিলেম নরেন্দ্র মোদী।গতবারের এই কেন্দ্রের সাংসদ ও দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ছিল বারানসী-র মানুষের মধ্যে।গতকাল নরেন্দ্র মোদী বিশাল রোড শো করেন কাশী-তে।রাতে মোদী গঙ্গা আরতি-ও করেন।সেই রোড শো-এর পর আজ কাশী-তে জেলাশাষকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা করেন।


আজ মোদী-র মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপসস্থিত ছিলেন বিজেপি ও এনডিএ-এর তাবড় বড়ো নেতারা।বিহারের নিতীশ কুমার,উদ্ধব ঠাকরে,রামবিলাশ পাসওয়ান,যোগী আদিত্যনাথ,রাজনাথ সিং,অমিত শাহ সহ এনডিএ-র সব বড়ো নেতা-ই আজ উপস্থিত ছিলেন কাশী-তে।নির্বাচনের আগে এনডিএ নেতাদের একসাথে উপস্থিত হওয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহলের ধারনা।


অন্যদিকে,এই বারানসী কেন্দ্রে কংগ্রেস-এর প্রার্থী পদ নিয়ে যাবতীয় জল্পনার অবসান হয়েছে।মোদী-র বিরুদ্ধে প্রার্থী হচ্ছেন না প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।গতবারের নির্বাচনে কংগ্রেস-এর প্রার্থী অজয় রাই এবারও কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।নরেন্দ্র মোদী-র মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে বিরাট মানুষের জনসমাগম বিজেপি-কে বাড়তি অক্সিজেন যোগাচ্ছে।একই সাথে ঐক্যবদ্ধ এনডিএ-র ছবি বিরোধীদের কপালেও ভাঁজ ফেলেছে।এখন নির্বাচনে মানুষ কোন প্রার্থী-কে পছন্দ করবেন,তা বোঝা যাবে ২৩ মে নির্বাচনের ফল ঘোষনার পরে।

ভয়াবহ আগুন এক্সাইড মোড়ের কাছে

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : আজ সকাল ৯.৩০ নাগাদ আচমকাই ভয়াবহ আগুন লেগে যায় কলকাতার এক্সাইড মোড়ের কাছে বহুতল বাড়িতে।মূলত অফিস পাড়ায় এই বহুতল অনেক দিনের পুরনো।পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বহুতল বাড়ি রয়েছে।ঘটনার ভয়াবহতার জন্য পাশের বহুতল বাড়িগুলি খালি করে দেওয়া হয়।


খবর,ওই বহুতলের চতুর্থ ও পঞ্চম তল-এ আগুন লেগে যায়।সেখানে মূলত বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার অফিস ছিল।দলকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর যৌথ ভাবে আগুন নেভানোর কাজ করছে।আগুনের উৎসে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ করছে দমকল।আগুন লাগার পর ওই বহুতলের একাংশ ভেঙে পরতে থাকে।ব্যপক ধোঁয়ায় গোটা এলাকা ঢেকে যায়।প্রায় ৬ টি দমকলের ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে।


এই অগ্নিকান্ডের জেরে এক্সাইড মোড় ও চৌরঙ্গী এলাকায় ব্যাপক জানজটের সৃষ্টি হয়।আশে পাশের এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।এই অগ্নিকান্ডে হতাহতের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায় নি।কি কারনে আগুন লাগলো তা তদন্ত করে দেখছে দমকল বাহিনী।আগুন এখনও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে আসেনি।বাড়িটি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।আগুনের তাপে বহুতলের ওপরের অংশ ভেঙে পড়ে।ফলে দমকলকে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

ফের ভোটের লড়াই-এ মদন মিত্র:

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ সময় পরে আবার সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে নামলেন মদন মিত্র।বিধানসভা উপনির্বাচনে ভাটপাড়া কেন্দ্র থেকে তৃণনূল কংগ্রেস-এর হয়ে লড়বেন মদন মিত্র।ভাটপাড়া-র বিধায়ক অর্জুন সিং ইস্তফা দিয়ে লোকসভা নির্বাচনে লড়ছেন।ওই বিধানসভা কেন্দ্রে আগামি ১৯ তারিখ বিধানসভা-র ভোট অনুষ্ঠিত হবে।সেই ভোটে লড়বেন প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিএ।


সারদা মামলা সহ বেশ কিছু অভিযোগ ছিল মদন মিত্র-র বিরুদ্ধে।গ্রেপ্তার-ও হন সিবিআই-এর হাতে।তারপরই সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে চলে যান মদন মিত্র।মমতা ব্যানার্জী-র প্রতি আনুগত্য কমেনি তার।সেই আনুগত্য-এর পুরস্কার হিসেবেই আবার বিধানসভায় ঢোকার টিকিট পেলেন মদন মিত্র।


ভাটপাড়া অর্জুন সিং-এর শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত।দলবদলের পরও ওই এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে তার।সেই কেন্দ্রে অর্জুন সিং-এর প্রভাবকে উপেক্ষা করে সংগঠনের জোরে লড়াই করতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে।আর সেই লড়াই-এর কান্ডারী হিসেবে মমতা ব্যানার্জী বেছে নিলেন মদন মিত্র-কে।মদন মিত্র ফিরে এলেন সক্রিয় রাজনীতির আঙিনায়।ভাটপাড়া-য় অর্জুন মিথ ভাঙতে মদন মিতত্র কটা সফল হন এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।২৩ মে লোকসভা ভোটের ফলাফলের সাথেই ভাটপাড়া সহ অন্যান্য উপ-নির্বাচনের ফলাফল-ও প্রকাশিত হবে।

১০০% বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : আগামি ২৯ তারিখ গোটা দেশের ৭১ টি লোকসভা কেন্দ্রে চতুর্থ দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।এই রাজ্যের নদীয়া,বীরভূম,বর্ধমান সহ একাধীক জেলার লোকসভা কেন্দ্রে ওই দিন নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে।এই জেলা গুলিতে এর আগেও নির্বাচনে ব্যাপক সন্ত্রাস হয়েছে বলে বিরোধী দলগুলির দাবী।তাই এবার নির্বাচন কমিশন ভোট নিরাপত্তা নিয়ে কড়া অবস্থান নিল।২৯ তারিখ ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।


বিরোধীরা নির্বাচন ঘোষনার পর থেকেই দাবী তুলেছিলে ১০০ বুথে কেন্দ্রীয় বাহহিনী দিতে হবে।বিগত তিন দফায় ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা।এবার ১০০ শতাংশ করা হল।নির্বাচন চলাকালীন ব্যাপক হিংসা-র অভিযোগ উঠেছিল বারবার।জাতীয় নির্বাচন কমিশন সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।রাজ্যে বিশেষ পর্যবেক্ষল অজয় নায়েক লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করতে সব ব্যবস্থা নিচ্ছেন।


কমিশনের এই সিদ্ধান্তে খুশি বিরোধী দলগুলি।তাদের দাবীই মান্যতা পেয়েছে কমিশনের এই সিদ্ধান্তে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই নিয়ে বিচলিত নয়।তাদের বক্তব্য যতই কেন্দ্রীয় বাহিনী আসুক,তারা ৪২ এ ৪২ পাবেই।আগামি দফা-র নির্বাচন কতটা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে পারে নির্বাচন কমিশন,এখন সেটাই দেখার।

২৩-তারিখ ৯২% বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী:

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : আগামী ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তৃতীয় দফার নির্বাচন।সারা দেশের সাথে এই রাজ্যের ৫ টি আসনে অনুষ্ঠিত হবে ভোট উৎসব।মালদা-র দুটি,মুর্শিদাবাদ-এর দুটি ও বালুরঘাট-এর মানুষ ২৩ তারিখ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তার আগেই রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক জানালেন,এই ৫ টি কেন্দ্রের ৯২% বুথেই মোতায়েন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।মাত্র ৮% বুথে শুধু রাজ্য পুলিশ থাকবে।নির্বাচন কমিশনে রাজ্যের ভোট পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।


অজয় নায়েক-এর মতে এত পরিমান কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ভোট গ্রহন এ রাজ্যের ইতিহাসে নজিরবিহীন।ভোট যত এগোবে ততই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী-র সংখ্যা বাড়বে।যদিও ভোট-এ শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা গণতন্ত্রের পক্ষে অশুভ বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন।

নির্বাচন ঘোষনার সময় থেকেই বিরোধী দলগুলি কেনন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এর দাবীতে সরব হয়েছিল।একশ শতাংশ বুথে বাহিনী মোতায়েন এর দাবী তে কমিশনে বারবার দরবার করেছেন তারা।এছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর সুরক্ষার দাবীতে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন একাধিক জেলার ভোট কর্মীরা।

অবেশেষে আজ কমিশনের সিদ্ধান্তে তাদের দাবীতে শিলমোহর পরল বলে রাজনৈতিক মহলের ধারনা।যদিও রাজ্যের শাষক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে নারাজ।তাদের মতে তৃণমূল ৪২ টি আসনের মধ্যে ৪২ টিতেই জিতবে।

শ্রীলঙ্কায় মৃত্যু মিছিল। ৩ ভারতীয় সহ ২৭০ নিহত

বাংলা নিউজ অনলাইন ডেস্ক : পর পর ৮ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো শ্রীলংকা।আজ সকালে ইস্টারের প্রার্থনা চলাকালীন প্রথমে নেগোম্বো, বাট্টিকালোয়া এবং কলম্বোর কোছিকাড়ে জেলার সেন্ট অ্যান্টনি গির্জা বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। বিস্ফোরণে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয় নেগোম্বো গির্জায়। ৬৭ জন প্রাণ হারান সেখানে। গির্জার ছাদটিও ভেঙে পড়ে। বাট্টিকালোয়ার গির্জায় প্রাণ হারান ২৫ জন।


গির্জায় হামলার পর একে একে কলম্বোর শাঙ্গরি-লা, কিংসবারি, সিনেমন গ্র্যান্ড এবং দেহিওয়ালা চিড়িয়াখানার সামনে আর একটি বিলাসবহুল হোটেলে বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে কমপক্ষে ৩৫ জন বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। শ্রীলঙ্কা সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত তাঁদের নাম-পরিচয় প্রকাশ না করা হলেও, নিহতরা জাপান, হল্যান্ড, ব্রিটেন, আমেরিকা,পর্তুগাল এবং তুরস্ক থেকে আসা পর্যটক বলে জানা গিয়েছে।


রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে বিস্ফোরণের পর সন্দেহভাজন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট তথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মৈত্রীপালা সিরিসেনা। দেশের মাটিতে গড়ে ওঠা কোনও চরমপন্থী সংগঠন এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহও।

বাংলার পরিস্থিতি ১০ বছর আগের বিহারের মতো

বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : এই নজিরবিহীন মন্তব্য করলেন,রাজ্যের বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক।আজ নির্বাচন সংক্রান্ত মিটিং চলাকালীন এই ধরনেরই মন্তব্য করেন।রাজ্যেট লোকসভা নির্বাচনে ঘটে চলা একের পর এক হিংসার ঘটনায় চিন্তিত কমিশন।বিভিন্ন প্রশাষনিক রদবদল করে অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে কমিশন।

তিনি আরও মন্তব্য করেন,বাংলার নির্বাচনে যে পরিমান কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবী উঠছে,তা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়।


এই অজয় নায়েক এক সময় বিহার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ছিলেন।তাই বাংলার পরিস্থিতির সাথে বিহারের তুলনা করলেন।তার আশা বিহারের মানুষ সেই হিংসা-র পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে,বাংলাও পারবে।রাজ্য পুলিশের ওপর ভরসা ফেরানোর ওপর ও জোর দেন তিনি।


যদিও এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।তাদের দাবী বিজেপির প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে এই ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে।বাংলার পরিস্থিতি ঠিকই আছে বলে তাদের দাবী।এই পর্যবেক্ষক-এর বিরুদ্ধে অভিযোগও জানাতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।