দেশভাগে জমিদারির সিংহভাগ ওপারে, সীমান্তের কাঁটাতারের পাশে আজও অমলিন ২২৬ বছরের পুজো।
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পুরনো রীতি মেনে আজও শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পুজোর সূচনা হয়। ব্যবসার সূত্রে উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলায় এসে ব্রিটিশদের কাছ থেকে জমিদারি কিনেছিলেন অবোধ নারায়ণ রায়। সাধুদের পরামর্শে শুরু করেছিলেন দেবী দুর্গার আরাধনা। দেখতে দেখতে ২২৬ বছরে পা দিয়েছে হবিবপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তিলাসনের সিঙ্গাবাদ জমিদার বাড়ির পুজো।
১৯৪৭ সালের দেশভাগে এই জমিদারি স্টেটের সিংহভাগ অংশ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশে চলে যায়। ভারতীয় ভূখণ্ডে সীমান্তের কাঁটাতার থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশাল রায় জমিদার বাড়ি। জমিদারি প্রথা নেই, বাড়ির বিভিন্ন অংশে ধরেছে ফাটল। তবু অক্ষুণ্ণ রয়েছে পুজোর ঐতিহ্য।
জানা যায়, ডাল ব্যবসার কাজে বাংলায় এসেছিলেন অবোধ নারায়ণ রায়। সিঙ্গাবাদ স্টেশনে ট্রেনে ডাল এনে নৌকাপথে ঢাকা, রাজশাহী ও কলকাতার খিদিরপুর বন্দরে পাঠাতেন। ব্যবসার সুবিধায় প্রায় তিন হাজার টাকায় জমিদারি কেনেন তিনি। পরে এলাকার মঙ্গলের জন্য তিন সাধুর পরামর্শে দুর্গাপুজো শুরু করেন।

