ভূতনী-সহ মালদার বন্যাদুর্গতদের আর্থিক সহায়তা, আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদের ₹৯০ হাজার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পুজোর প্রাক্কালে মালদায় এসে মালদার বন্যা দুর্গত অসহায় মানুষজনের মুখে হাসি ফোটালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ভূতনী সহ মালদার বিভিন্ন প্রান্তের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের হাতে তুলে দিলেন বিভিন্ন বন্যাত্রাণ সামগ্রী। সেই সঙ্গে বন্যায় আংশিক ও পুরোপুরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনকে প্রদান করলেন আর্থিক ক্ষতিপূরণ।স্বভাবতই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগে যারপরনায় খুশি হন মালদার বন্যা দুর্গত মানুষজন। উল্লেখ্য, এবছর মালদার মানিকচকের ভূতনী সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে, তাদের হাতে বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা তুলে দিতে বৃহস্পতিবার মালদায় আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেলা দেড়টা নাগাদ হেলিকপ্টারে চেপে মানিকচক কলেজ মাঠের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। এরপর গাড়িতে চেপে সোজা পৌঁছান মথুরাপুর হাইস্কুলের সভামঞ্চে। সেখানে পৌছানো মাত্রই মানিকচকবাসী মুখ্যমন্ত্রী সাদর অভ্যর্থনা জানান। অভ্যর্থনা জ্ঞাপনের পর মুখ্যমন্ত্রী সোজা সভামঞ্চে ওঠেন। মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন, সেচ ও জলপথ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু, জেলাশাসক রাজেনবীর সিং কাপুর, জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং, জেলাপরিষদের সভাধিপতি দিপালী বালা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মন্ডল, ইংরেজবাজারের বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ি, বৈষ্ণবনগরের বিধায়ক রাজু কর্মকার সহ জেলা এবং রাজ্য প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। তাদের সকলের উপস্থিতিতে সভার শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথমে ভূতনী সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বেশকিছু বন্যার্ত মানুষের হাতে বন্যাত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। এরপর কয়েক হাজার মানুষের হাতে ত্রাণ বিলিবণ্টন করে মালদা জেলা প্রশাসন। তবে শুধু বন্যাত্রাণ বিতরণ নয়, এদিন মুখ্যমন্ত্রী জেলায় বন্যায় আংশিক এবং পুরোপুরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষজনকে গৃহ নির্মাণ ও গৃহ মেরামতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করেন। তিনি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নগদ ৯০ হাজার টাকা এবং পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নগদ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ তুলে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *