Home Blog Page 42

গনি খান চৌধুরীর ভাগ্নি মৌসুম তৃণমূল এ

আবু গনি খান চৌধুরীর ভাগ্নি মৌসুম বেনজির নূর আজ তৃণমূল এ যোগদান করলেন। এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এর সাথে দেখা করে মৌসুম বেনজির নূর তৃণমূলে যোগদান এর ঘোষণা করেন। মূলত : বিজেপির বাড়বাড়ন্ত রুখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান মৌসুম । বর্তমানে তিনি মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস সংসদ। তার এই যোগদান লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের সাফল্য বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিন মৌসুম আরো জানান যে তিনিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কান্ডারি হতে চান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন যে – মৌসুম কে তৃণমূল এ স্বাগত। এবং তিনি লোকসভা নির্বাচনে মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই আবার তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়বেন।
কংগ্রেস ছেড়ে তার এই তৃনমুল এ যোগদান মালদাবাসী ভালো চোখে দেখবেনা বলে জানান কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য।

ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়

২৬ শে জানুয়ারী প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় কে ভারত রত্ন সম্মানে ভূষিত করা হবে। অমর্ত্য সেন এর পর এই প্রথম কোনো বাঙালির নাম ভারতরত্নর তালিকায় উঠে এলো

বাংলায় বিজেপির হয়ে প্রচারে আসছেন যোগী আদিত্যনাথ।

যদি আদিত্যনাথ। বিজেপির উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এবার বাংলায় ৩ ও ৫ ফেব্রুয়ারী সভা করবেন।
বিস্তারিত আসছে। ……….

এস ভি এফ কর্তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন আদালত।

রোজভ্যালি কাণ্ডে এস ভি এফ কর্তা শ্রীকান্ত মোহতা কে গতকাল আর্রেস্ট করেছিল সি বি আই। আজ ভুবনেশ্বর আদালতে পেশ করা হয়। সঙ্গে ছিলেন সি বি আই এর তদন্তকারী অফিসার চোজম শেরপা সহ আরো ৩ সিবিআই অফিসার। প্রথম থেকেই সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নিতে চাননি। প্রযোজকের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, সিবিআই-এর হাতে কোনও প্রমাণই নেই। তাই তারা হেফাজতে নিতে চায়নি। পাল্টা সিবিআইয়ের কৌঁসুলি বলেন, শ্রীকান্তের বিরুদ্ধে যা তথ্যপ্রমাণ রয়েছে তা প্রকাশ্যে বলা যাবে না। তাতে তদন্তে প্রভাব পড়বে। আদালত চাইলে সিক্রেট কেস ডায়েরি জমা দিতে পারে সিবিআই। তা দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। এরপর বিকেলে সওয়া পাঁচটা নাগাদ আদালত ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। শ্রীকান্তকে রাখা হবে ভুবনেশ্বর জেলে।

সিবিআই-এর আধিকারিকদের দাবি, রোজভ্যালি কাণ্ডে আগে বেশ কয়েকবার নোটিস পাঠানো হয়েছিল শ্রীকান্তকে। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সিবিআই আধিকারিকরাই পৌঁছে যান কসবার অভিজাত শপিংমলের ১৮ তলায় তাঁর অফিসে। সেখানে গোয়েন্দারা পৌঁছনোর পর ঘটে আরএক কাণ্ড। জানা গিয়েছে ভেঙ্কটেশের অফিস থেকে কলকাতা পুলিশের এক বড় কর্তাকে ফোন করা হয়। তাঁর নির্দেশেই পুলিশবাহিনী পৌঁছোয় সেখানে। এরপর সিবিআই আধিকারিকরা পুলিশ দেখে ফোন করেন রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তাকে। পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দেওয়া হয়, এই তদন্ত চলছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। পুলিশ যদি বাধা দেয় সেটা ঠিক কাজ হবে না। এরপরই পুলিশকে ফিরে আসতে বলা হয়। বাইরে বেরিয়ে কসবা থানার পুলিশ জানায়, গণ্ডগোলের খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে এসেছিলেন। এরপর সেখান থেকে শ্রীকান্তকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তুলে নিয়ে আসে সিবিআই। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

মোদির বিরুদ্ধে রাহুল প্রিয়াঙ্কা। বাজিমাত হবেকি ??

0

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। রাজনীতির ময়দানে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। চাপান উতর তুঙ্গে। এরই মাঝখানে রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ করলেন প্রিয়াঙ্কা বোডরা। রাহুলের মরা গাঁঙে জল এলো বলে মনে করছে সকলে। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছিলো তা এখন আর নাও হতে পারে বলে অনেকের মত। কিন্তু একেবারে হেরে যাবার মতো পরিস্থিতি বিজেপির হয়নি। লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি হতে পারে।
প্রিয়াঙ্কাকে রাজনীতিতে স্বাগত জানিয়েছে সকলে। নিজের দল কংগ্রেস চাইছে এবার সোনিয়া গান্ধীর লোকসভা কেন্দ্র রাইবরেলিতে প্রিয়াঙ্কা কে দাঁড় করানো হোক।

বস্তুত প্রিয়াঙ্কা রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে জাতীয় রাজনীতিতে হইচই পড়ে গিয়েছে। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার মুখের মিল রয়েছে। অনেকে বলেন, ইন্দিরার ছায়া। ঠাকুমা-নাতনির ছবি নতুন করে ছেয়ে ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়া। বিজেপি তো বটেই, অনেকেই আবার পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি নিয়ে খোঁচাও দিচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে রাহুল এ দিন বলেন, “প্রিয়াঙ্কা আর আমার উপর দিয়ে কী ঝড় বয়েছে তা আমরাই জানি। বাইরে থেকে মনে হয় কত সহজে এঁরা কত কিছু পেয়ে যাচ্ছে! অথচ আমরা ঠাকুমাকে হারিয়েছি, বাবাকে হারিয়েছি। তাঁদের নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল। রাজনীতির বলি হয়েছেন তাঁরা। ওই দুই ঘটনা আমাদের আরও কাছে এনে দিয়েছে।” কংগ্রেস সভাপতি এ দিন বোঝাতে চান, পরিবারে পর পর দুই হত্যার ঘটনার পর রাজনীতিতে নামাটা সহজ ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে অনেকেই হয়তো পিছিয়ে আসতেন
তবে প্রিয়াঙ্কা যখন রাজনীতিতে নেমেই পড়েছেন তখন খেলা এ বার স্ট্রেট ব্যাটে হবে বলেই জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি। কদিন আগে উত্তরপ্রদেশ সফরে গিয়ে রাহুল বলেছিলেন, প্রিয়াঙ্কাকে দায়িত্ব দেওয়ার পর কংগ্রেস এ বার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য লড়াইয়ে নামবে। দলকে শক্তিশালী করাকেই তাঁরা এখন চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছেন। ওড়িশাতেও দলের লক্ষ্য হবে সেটাই।