সভাধিপতির বিরুদ্ধে তলবি সভায় ২৪ সদস্যের উপস্থিতি, মালদহ জেলা পরিষদে নতুন সমীকরণের জল্পনা।
মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মালদহ জেলা পরিষদে সভাধিপতি এবং সহকারী সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন তৃণমূলেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। উচ্চআদালতের নির্দেশে আজ সভাধিপতি অপসারণের তলবি সভা ডাকা হয়। সেখানে তৃণমূলের ১৯ জন বিক্ষুব্ধ সদস্যের সঙ্গেই হাজির কংগ্রেসের পাঁচ জেলা পরিষদ সদস্যও। যদিও দুইদিন আগেই নিজেদের পদ থেকে ইস্তফার কথা জানিয়ে মালদহের বিভাগীয় কমিশনারকে চিঠি দেন সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ এবং সহকারি সভাধিপতি আবু তৈয়ব মহম্মদ রফিকুল ইসলাম।
মালদা জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৪৩। আজ তৃণমূলের ১৯ জন সদস্য এবং কংগ্রেসের পাঁচজন সদস্য তলবি সভায় হাজির হন। কংগ্রেস দলের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে অনাস্থাকে সমর্থন করতে আসেন কংগ্রেস নেত্রী মৌসম বেনেজির নূর সহ অন্যান্যরা। সবমিলিয়ে অনাস্থার পক্ষে জেলা পরিষদে হাজির হন ২৪ জন সদস্য।
বৈঠকের শেষে সভাধিপতি বিরুদ্ধে থাকা তৃণমূল সদস্যরা বলেন, আমরা তলবি সভা ডেকে অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করিয়েছি। আবার প্রশাসনও জানিয়েছে সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির পদত্যাগ পত্র গৃহীত হয়েছে। সব মিলিয়ে সভাধিপতি আর চেয়ারে থাকছেন না। আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন করে বৈঠক ডেকে সভাধিপতি নির্বাচন করা হবে।
কংগ্রেস নেত্রী মৌসম নূর বলেন, আমরা অনাস্থার পক্ষে। সভাধিপতিকে সরাতে চেয়েছিলাম। পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে তা দলীয় স্তরে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।
যদিও এদিনে সভাধিপতি ইস্তফা বা অপসারণে জল্পনা তৈরি হয়েছে জেলায়। জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে নাকি নতুন সভাধিপতি হবেন কেউ?
মালদা জেলা পরিষদে ৪৩ সদস্যের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ৩৪, কংগ্রেসের পাঁচ এবং বিজেপির চার সদস্য রয়েছেন। এখন কে কার সমর্থনের সভাধিপতি হন অথবা প্রশাসক নিয়োগ হয় কিনা সেটাই দেখার।

