মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শনে গিয়ে রীতিমতো এক রাশ ক্ষোভ উগরে দেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা–-গোটা হাসপাতালকে ডেঙ্গুর আতুর ঘর বানিয়ে রেখেছেন। এখানে মানুষ সুস্থ হতে আশে! হাসপাতালকে আপনারা খেলনার জায়গা পেয়েছেন! মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এই কড়া ভাষাতেই ঠিকাদার সংস্থার এক কর্তাকে ধমক কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরীর।মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে তৈরি হচ্ছে নির্মীয়মান একটি বিল্ডিং। তৈরি করছে এক ঠিকাদার সংস্থা। সেই বিল্ডিং তৈরির জন্য বড় বড় গর্ত করা হয়েছে। কিন্তু গর্তের সেই মাটি বয়ে গিয়ে সমস্ত নিকাশি নালা ব্লক করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে বড় বড় গর্তে কোথাও এক মানুষ তো কোথাও হাঁটু জল জমে রয়েছে। আর তা থেকেই ছড়াচ্ছে ডেঙ্গু। আজ মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেই জায়গা পরিদর্শনে গিয়ে রীতিমতো এক রাশ ক্ষোভ উগরে দেন ইংলিশ বাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী। প্রথমে ঠিকাদার সংস্থার এক কর্তাকে এই কর্মকাণ্ডের জন্য রীতিমতো ধমক দেন এরপরই ফোনে ওই ঠিকাদার সংস্থার অন্যান্য আধিকারিকদের সাথে কথা বলে কয়েকদিনের সময় বেঁধে দেন কৃষ্ণেন্দু বাবু। কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, চার ও পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাশী নালা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিল্ডিং তৈরি করার জন্য গর্ত থেকে তোলা মাটি সমস্ত ড্রেন ব্লক করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে গোটা হাসপাতালে জমে রয়েছে জল। আমরা কয়েক দিনের সময় দিয়েছি না হলে ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ বর্ষার মরসুম শুরু হয়েছে আর জমা জল থেকেই ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকছে। তবে যদিও এই বিষয়ে ওই ঠিকাদার সংস্থা ক্যামেরার সামনে কিছু মন্তব্য করতে চাইনি।
বাইট- ১) কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী চেয়ারম্যান ইংলিশ বাজার পৌরসভা।
2) বিজেপি দক্ষিণ মালদা জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী

