বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি ঘিরে আজও জীবন্ত রীতি, মালদহে দেবকুণ্ড মেলা অনুষ্ঠিত।
মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ঐতিহাসিক পরম্পরা মেনেই আজও হয়ে আসছে বিয়ের মুকুট বিসর্জন। বেহুলা লক্ষিন্দরের ইতিহাস বিজড়িত দীর্ঘ কয়েক দশকের ঐতিহ্য পরম্পরা মেনে বুদ্ধ পূর্ণিমার পূণ্য লগ্নে পূর্ণ স্নান পুরাতন মালদহের নারায়ণপুরের দেবকুন্ডে। কথিত আছে বেহুলা নাকি তার স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিল এখানে। সেই থেকে এই পুকুরে স্নান ও পুজোর রেওয়াজ শুরু। সুখী দাম্পত্য জীবন কামনায় নব দম্পতিরা বিয়ের ফুল ও মালা ভাসিয়ে এই পুকুরে ডুব দেন।
পুরাতন মালদহের নারায়ণপুর ৮৮ নম্বর বিএসএফ ক্যাম্পের ভেতরে শুক্রবার বুদ্ধ পূর্ণিমার পূণ্য লগ্নে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, নারায়ণপুরের ৮৮ নম্বর বিএসএফ ক্যাম্পের ভেতরে বেহুলা নদীর ধারে একটি পুকুরে এই বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনেই অনুষ্ঠিত হয় দেবকুন্ডের মেলা এবং পূজা অর্চনা। এই মেলায় মঙ্গল কামনার জন্য আসে নব দম্পতি অর্থাৎ যাদের নতুন বিয়ে হয়েছে তারা স্বামী স্ত্রী এসে বেহুলা লক্ষিন্দর ইতিহাস বিজড়িত এই পুকুরে বিয়ের টোপর, ফুলমালা সহ বিভিন্ন সামগ্রী বিসর্জন দিয়ে স্নান করে শুদ্ধি হয়ে পুজো করে এবং এই পুজো করলে নাকি নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখী হয়। তবে শুধু মাত্র এই মেলার দিন সাধারণ মানুষের জন্য ক্যাম্পের ভেতরে আসার জন্য বিএসএফদের কোন বাধা বিপত্তি থাকে না। এই মেলাকে ঘিরে প্রশাসনের দিক থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে।
কথিত আছে, বেহুলা নাকি তার স্বামী লক্ষীন্দের এখানে জীবন দান ফিরে পেয়েছিলেন। সেই থেকে এই পুকুরে স্নান ও পূজো করার রেওয়াজ শুরু হয়েছে অর্থাৎ যারা নব দম্পতি রয়েছে তারা এসে তাদের নতুন বিয়ের থেকে যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রী বিসর্জন দিয়ে বৈবাহিক জীবনের সুখ ও শান্তি কামনা করে।

