শুয়োপোকা-কাণ্ডে অঙ্গনওয়াড়ি সুপারভাইজার বিক্ষোভের মুখে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর অপসারণ দাবি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা—অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খিচুড়িতে সেদ্ধ হয়ে গেল শুয়োপোকা।সেই খিচুড়ি দেওয়া হল প্রসূতি এবং শিশুদের।শুয়োপোকা নজরে আসতেই শোরগোল। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ স্থানীয়দের।দীর্ঘদিন ধরেই খাবারে বেনিয়মের অভিযোগ। বিক্ষোভের মুখে ওই কেন্দ্রের সুপারভাইজার। মেনে নিলেন গাফিলতির কথা। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বেহাল দশা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ বিজেপির। কোন রকম গাফিলতি বরদাস্ত হবে না দাবি তৃণমূলের। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কলমপাড়া এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শনিবার এই বিক্ষোভের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ গতকাল ওই সেন্টার থেকে প্রসূতি এবং শিশুদের খিচুড়ি দেওয়া হয়ে ছিল। সেই খিচুড়িতে শুয়ো পোকা সেদ্ধ হয়ে যায়। খাবার সময় নজরে আসে।ওই খিচুড়ি শিশু এবং প্রসূতীরা খেলে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারত। স্থানীয়দের অভিযোগ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী দীপ্তি ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরেই খাবারে বেনিয়ম করেন।এর আগেও পোকা আরশোলা পাওয়া গেছে।এবার একদম খিচুড়িতে সেদ্ধ শুয়ো পোকা। যদিও এদিন ওই কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। সুপারভাইজার রুমি মন্ডল সেন্টারে এসে বিক্ষোভের মুখে পড়েন। শুঁয়োপোকার কথা তিনি মেনে নেন। তিনি জানান এই নিয়ে রিপোর্ট দেবেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। বিক্ষোভকারীদের দাবি ওই কর্মীকে এই সেন্টার থেকে বদলি করতে হবে। প্রসঙ্গত বারবার বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবারে বেনিয়ম এবং বেহাল দশার ছবি সামনে আসছে। বিজেপির অভিযোগ খাবার চুরি হচ্ছে। তৃণমূলের মদত রয়েছে। শিশু এবং প্রসূতিদের এমন খাবার দিচ্ছে। যেখানে পুষ্টির বদলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়বে। যদিও তৃণমূলের দাবি এই ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

