ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সরকার প্রদত্ত স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণে মান ও সাইজের অসামঞ্জস্যতা নিয়ে প্রবল বিতর্ক এবং অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
দঃ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে প্রাথমিক ও আপার প্রাইমারি স্তরের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সরকার প্রদত্ত স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণে মান ও সাইজের অসামঞ্জস্যতা নিয়ে প্রবল বিতর্ক এবং অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন জেলার বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের পরিহিত পোশাকের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এই সমস্যা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। প্রধান সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে পোশাকের সঠিক সাইজ ও মান। অনেক ছাত্রের জামা হাঁটুর নিচে ঝুলছে, আবার কোনোটি এত বড় যে একাধিকজন ঢুকে যেতে পারে। স্কার্ট বা চুরিদার এতটাই বড় আকারের দেওয়া হয়েছে যে তা পড়া একপ্রকার অসম্ভব হয়ে উঠেছে। বেল্ট দিয়ে আটকালেও স্কার্ট বা প্যান্ট খুলে যাওয়ার উপক্রম।
এই পরিস্থিতিতে অভিভাবক মহলে চরম অসন্তোষ দানা বাঁধে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই পোশাক মোটেই উপযুক্ত নয়, যা তাদের স্কুলে পড়তে যেতে নিরুৎসাহিত করছে। উল্লেখযোগ্য, কিছুদিন আগেই এক দফায় ইউনিফর্ম বিতরণ হয়েছে, দ্বিতীয় দফার বিতরণ এখনও বাকি। পঞ্চায়েতস্তরে নিযুক্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাই এই ইউনিফর্ম তৈরি করছেন। তবে তৈরি হওয়া পোশাকের মান এবং সাইজ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে বালুরঘাট ব্লক প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রশংসনীয়। আজ সকালে বালুরঘাট ব্লকের বিডিও সম্বল ঝাঁ, জয়েন্ট বিডিও সুশান্ত প্রামাণিক ও উমেন্স ডেভেলপমেন্ট অফিসার সাহানারা বেগম পতিরাম এলাকার পথসাথীতে গিয়ে স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পোশাক তৈরির কাজ ঘুরে দেখেন। সেখানে তাঁরা পোশাকের মান ও মাপ নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

