দুর্ঘটনা রুখতে টোটোর ডানদিকে লোহা বা অন্যকিছু দিয়ে আটকে দিতে বলা হয়েছিল, না মানায় ক্ষোভ।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট ঃ- উন্মুক্ত থাকা টোটো দুদিক দিয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় ঘটছিল নিত্যদিনের দূর্ঘটনা। সেই দূর্ঘটিনা এড়াতে টোটোর ডানদিক আটকানো বা সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ট্রাফিক পুলিশ, পরিবহণ দপ্তর এবং পুরসভার পক্ষ থেকে। নির্দেশিকা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে চলছিল অভিযান। কিন্ত অভিযান শিথিল হতেই সেই নিয়ম ও নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ফের আগের অবস্থানেই অধিকাংশ টোটো। এদিকে ফের শহর জুড়ে টোটো দূর্ঘটনা বাড়তেই ক্ষোভ নাগরিকদের।
বালুরঘাট শহরে দিন দিন বাড়ছে টোটোর সংখ্যা। এমূহূর্তে শহরে আনুমানিক হাজার দশেক টোটো চলাচল করছে বেসরকারি হিসেব অনুযায়ী। পুরসভা ও তার সংলগ্ন গ্রামীন এলাকার টোটোয় নাভিশ্বাস উঠেছে ছোট্ট শহর বালুরঘাটের সাধারণ মানুষের। রাস্তায় যত্রতত্র দাঁড়িয়ে পরে যাত্রী তোলে চালকরা। ডানদিক অর্থাৎ রাস্তার দিক দিয়েও ওঠা নামানো হয় যাত্রী। ফলে দূর্ঘটনার সম্ভবনা বেড়ে যায় এই শহরে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে বালুরঘাট ট্রাফিক, স্থানীয় পুরসভা এবং পরিবহণ দপ্তরের যৌথ পরিকল্পনায় বছর তিনেক আগে টোটোর জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়। নির্দেশ, টোটোর ডানদিক দিয়ে কোনোভাবেই যাত্রী ওঠা-নামা করা যাবেনা। সেকারণে টোটোর ডানদিকে লোহা বা অন্যকিছু দিয়ে আটকে দিতে বলা হয়েছিল। ট্রাফিকি কড়া মনোভাবে মাস কয়েক সেই নিয়ম মানছিল টোটো চালকরা। অভিযোগ, মাস কয়েক ধরে টোটো নিয়ে ট্রাফিকি অভিযান বন্ধ। আর সেই সুযোগেই ফের আগের অবস্থানে ফিরেছে অধিকাংশ অবাধ্য টোটো চালকরা। যা নিয়েই ক্ষোভ এই শহরে।
বালুরঘাট শহরের দিপালী নগর এলাকার বাসিন্দা জিষনু নিয়োগী বলেন, দিন তিনেক আগে তিনি ডানলপ মোড় দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় এক বেপয়োয়া টোটা যাত্রী ওঠা-নামা করার সময় তার ডান পায়ে চাপা মারে। গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। এমন ঘটনা এখন নিত্যদিনের। দ্রুত টোটো চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনার দাবি তাদের।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *