সুকান্ত মজুমদার চকরাম প্রসাদ গ্রামটি দত্তক নিয়েছিলেন এবং গ্রামবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কথা রাখলেন।

দঃ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- দীর্ঘ ছয় বছর পর বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বুধবার বিকেল বেলা চকরাম প্রসাদ গ্রামের দীর্ঘ ২ কিলোমিটার পাকা রাস্তার উদ্বোধন করা হলো। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে জেতার পর সুকান্ত মজুমদার গ্রামবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি ওই গ্রামের রাস্তাটি পাকা করে দেবেন। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এই ২ কিলোমিটার রাস্তা নির্মিত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত সুকান্ত মজুমদার চকরাম প্রসাদ গ্রামটি দত্তক নিয়েছিলেন এবং গ্রামবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি এই গ্রামের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য চেষ্টা করবেন। তারপর দীর্ঘ ছয় বছর কেটে যাওয়ার পর এই গ্রামের কাঁচা রাস্তাটি অবশেষে পাকা হলো। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে জেতার পর তিনি এই রাস্তাটি পাকা করে দেবেন বলে গ্রামবাসীদের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু তারপরে এতদিন এই রাস্তা পাকা হতে সময় লাগল কেন এ প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে এই গ্রামের উন্নয়নের কাজ আটকে রেখেছিল। লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন কেটে গেলেও এই রাস্তার কাজের কোনরকম অগ্রগতি হয়নি। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই সরকারের কাজের গতি কতটা। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে রাস্তাটা একদম বেহাল হয়ে পড়ে এবং গ্রামবাসীদের প্রচন্ড অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। যাইহোক শেষ পর্যন্ত রাস্তাটি পাকা হওয়ার পর তা আজ বুধবার উদ্বোধন করা হলো।’
তিনি বলেন, ‘পাকা রাস্তা করা ছাড়াও এই গ্রামে পঞ্চাশটি সোলার লাইট বসানো হয়। তাছাড়া দুটি জলের ব্যবস্থা দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটাও এখনো পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি রাজ্য সরকারের উদাসীনতার জন্য।’
সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, ‘রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে শহীদ চুরকা মুর্মুর গ্রামে উন্নয়নের কাজ আটকে রেখেছিল। এবারও চেষ্টা করছিল বিধানসভা নির্বাচন পার করে দেওয়ার। দীর্ঘ টালবাহানার পর ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে রাস্তার কাজ শুরু হয়। আমি এই গ্রামটি দত্তক নিয়েছিলাম কারণ চুরকা মুর্মু একজন ভারত বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে খান সেনাদের লড়াই সংগ্রামে নিজেকে আত্ম বলিদান দিয়েছিলেন।’
এই গ্রামে রাস্তা পাকা হওয়ার ফলে গ্রামবাসীরা ভীষণভাবে উপকৃত হবেন বলে সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *