গেরুয়া ঝড়ে বদলে গেল নীল-সাদা, ধুপগুড়িতে তৃণমূল ঘাঁটিতে রং পরিবর্তন।

ধুপগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জেলায় জেলায় বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ। এবার তৃণমূল জমানার সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলতে কোমর বেঁধে ময়দানে নামলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকের দিনেই জলপাইগুড়ির ঝাড়-আলতা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে দেখা গেল সেই ছবি। একসময়ের বিরোধী-শূন্য এই তৃণমূল ঘাঁটিতে এবার খোদ শাসক দলের দাপুটে নেতার বাড়ির পাশেই চলল রং পরিবর্তনের কাজ।ঝাড়-আলতা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা দাপুটে তৃণমূল নেতা বীরেন রায়ের বাড়ির ঢিল ছোড়া দূরত্বে অবস্থিত একটি স্থানীয় ক্লাব। তৃণমূল জমানায় আদিবাসী উন্নয়ন তহবিলের (Tribal Development Fund) অধীনে সেখানে একটি কমিউনিটি হল গড়ে তোলা হয়েছিল। পূর্বতন সরকারের নিয়ম মেনে গোটা বিল্ডিংটি নীল-সাদা রঙে রাঙানো ছিল। আজ স্থানীয় বিজেপি যুব নেতৃত্বের উদ্যোগে, সম্পূর্ণ নিজস্ব আর্থিক সাহায্যে সেই নীল-সাদা বিল্ডিংয়ে পোঁচ পড়ল গেরুয়া রঙের। তবে রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রেখে ভবনের কিছুটা অংশ নীল-সাদা রাখা হবে বলে দাবি করেছেন বিজেপি যুব কর্মীরা।রং পরিবর্তনের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। প্রাক্তন প্রধানের স্বামী বীরেন রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ – তৃণমূল সমর্থক না হলে এতদিন এলাকার যুবকদের এই মাঠে খেলতে দেওয়া হতো না।বীরেন রায়ের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে নেশাজাতীয় মাদক পাচার এবং যুবসমাজকে বিপথগামী করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝাড়-আলতা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এখন জেলা রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *