মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে স্বপ্নপূরণে এক ধাপ এগোল জয়পুর, আবাস যোজনায় উৎসবের মেজাজ।

নিজস্ব সংবাদদাতা, জয়পুর:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজ্যে শুরু হলো বাংলার আবাস যোজনার দ্বিতীয় দফার প্রথম কিস্তির টাকা প্রদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। সোমবার রাজ্যজুড়ে এই কর্মসূচির সূচনা হওয়ার পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলার প্রতিটি ব্লকে ও পঞ্চায়েত স্তরে এর সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়। জয়পুর ব্লকের জগন্নাথপুর অঞ্চলেও এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উৎসবের মেজাজ ধরা পড়ল।
এদিন জগন্নাথপুর অঞ্চল পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মোট ১২৩৪ জন উপভোক্তার হাতে আগামীতে বাড়ি তৈরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদন পত্র এবং মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ করা যায়।
এদিনের সভায় উপস্থিত পঞ্চায়েতের ইঞ্জিনিয়ার উপভোক্তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, “যাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্রুত প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে যাবে। টাকা পাওয়ার পর সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে। সরকারি এই প্রকল্পের কাজে কোনোভাবেই অবহেলা করা চলবে না।” এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান, “যাঁদের এখনও কাঁচা বাড়ি কিন্তু তালিকায় নাম নেই, তাঁরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবেন। এমনকি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে ফোন করে নিজেদের নাম ও সমস্যার কথা নথিভুক্ত করতে পারেন।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমাজকর্মী অভিজিৎ চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত মানবিক। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভাবেন। প্রতিটি মানুষের মাথার ওপর যাতে ছাদ থাকে, সেই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করে চলেছেন। আপনারা সকলে সরকারের পাশে থাকুন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।”
সরকারি এই সহায়তা পেয়ে খুশি উপভোক্তারাও। অনুমোদন পত্র হাতে পেয়ে এক উপভোক্তা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে একটা পাকা বাড়ির স্বপ্ন দেখতাম। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। টাকা পেলেই আমরা তড়িঘড়ি বাড়ির কাজ শুরু করে দেব।”
সব মিলিয়ে, জয়পুরের জগন্নাথপুর অঞ্চলে বাংলার আবাস যোজনার এই অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হলো। প্রশাসনের এই তৎপরতায় খুশি এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *