বকেয়া ভাতা ও মিনিমাম ওয়েজের দাবিতে বিডিও অফিস ঘেরাও, র্যালি করে ডেপুটেশন আশা কর্মীদের।
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— বামনগোলা আশা কর্মী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ৯ দিন চলছে কর্মবিরতি।বুধবার সকাল থেকে বামনগোলা ব্লক আশা কর্মী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দিন প্রথমে একটি র্যালি করে পাকুয়াহাট বামনগোলা ব্লকের বিডিও অফিসের সামনে আশা কর্মীরা বিক্ষোভ দেখে থাকে পরে সেখান থেকে তাদের বিভিন্ন দাবি গুলি তুলে স্লোগান দিতে থাকে।তাদের দাবিগুলি ডেপুটেশনের মাধ্যমে দীর্ঘ দাবি তুলে ধরেন।কিছুক্ষণ পর আশা কর্মীদের একটি দল বিডিও অফিসে যান সেখানে তাদের রাজ্য জুড়ে যে দাবিগুলি রয়েছে তা লিখিতভাবে ব্লক প্রশাসন আধিকারিকে হাতে তুলে দেন।
নেত্রী ভারতী বাড়ুই বলেন -আমরা এরাজ্যে মা শিশু ও জনসাধারণের সারা বছর পরিষেবা দিয়ে থাকি।তার পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের কাজও করতে বাধ্য করা হয়।যেমন খেলা,মেলা, ভোট, জল পরীক্ষা, স্কুল পরীক্ষায় ডিউটি, ন্যাপকিন বিক্রি, দুয়ারে সরকার- এ ধরনের বহু কষ্টসাধ্য কাজ করতে হয় আমাদের কিন্তু তার কোন পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। মাসের পর মাস উৎসাহ ভাতা এবং বিভিন্ন কাজের টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। টাকা পেলেও তা হিসেব মেলেনা। করোনা আক্রান্ত হওয়ার জন্য ঘোষিত এক লক্ষ টাকাও তারা পাইনি বলে অভিযোগ । এত কম ভাতা তাও ঠিক মত না পাওয়ার কারণে আমাদের সংসারে সারাবছরই অনটন চলে। অন্যদিকে নতুন নতুন অর্ডারে কাজের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।এই দীর্ঘ বঞ্চনার কথা বার বার আমরা সমস্ত দপ্তরে জানিয়েছি কিন্তু কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ।বিভিন্ন দাবি গুলি যেমন আশা কর্মীদের জন্য রাজ্য সরকারের ঘোষিত ন্যূনতম (মিনিমাম ওয়েজ) ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে,কর্মরত অবস্থায় মৃত আশা কর্মীদের পরিবারকে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে, সমস্ত বকেয়া ইন্সেন্টিভ, এক বছরের PLI সহ সমস্ত পরিষেবার টাকা অবিলম্বে দিতে হবে,মোবাইল রিচার্জ এর জন্য প্রতি মাসে নিয়মিত ফুল রিচার্জ প্যাক দিতে হবে,আশা কর্মীদের জন্য সরকার ঘোষিত সমস্ত ছুটি দিতে হবে, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত ইন্সেন্টিভ দ্রুত কার্যকরী করতে হবে। ভাগে ভাগে ইনসেন্টিভ দেওয়া বন্ধ সহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়।

