মালদা কার্নিভাল ঘিরে অভিযোগ–প্রতিবাদ, ব্যবসায়ীদের উপর ‘চাপ’-এর অভিযোগ মার্চেন্ট চেম্বারের।
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- প্রতি বছরের মতন এ বছরও ডিসেম্বর মাসের ২৫ তারিখ থেকে জানুয়ারি মাসের এক তারিখ পর্যন্ত হতে চলেছে কার্নিভাল। জেলায় যে কটি কার্নিভাল হয় তার মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারে কার্নিভাল হয় ইংরেজ বাজারে। ইংরেজবাজার পৌরসভা ও কার্নিভাল কমিটির উদ্যোগে শহরের বিবেকানন্দ ময়দানে বিগত কয়েক বছর ধরে, জাকজমক করে কার্নিভাল করা হয়। এ বছরও শুরু হয়ে গেছে কার্নিভালের প্রস্তুতি। ইংরেজবাজার শহরজুড়ে, কার্নিভালের গেট, আলোকসজ্জার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। বিবেকানন্দ ময়দানে মঞ্চ বাধার কাজ চলছে জোর কদমে। এই বছর ফকিরা, মানসী ঘোষ, জাবেদ আলি সহ বেশকিছু বিখ্যাত গায়ক গায়িকারা কার্নিভালে, অংশগ্রহণ করবেন জানিয়েছেন ইংরেজ বাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। পুরসভা কার্নিভালের জন্য ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে, পাশাপাশি কার্নিভাল কমিটি বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে কার্নিভাল করবে।
আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক, কার্নিভালের চাদা বাবদ ব্যবসায়ী , কন্ট্রাকটর ও প্রোমোটার দের কাছ থেকে মোটা টাকা আদায় করা হয়। ব্যাবসায়ী ও প্রোমোটার দের ওপর জোর জুলুম করা হয় বলে অভিযোগ মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুন্ডুর।
তার দাবি, এই আনন্দের দিনে ব্যবসায়ীদের ওপর যে চাপ সৃষ্টি করা হয় সেই চাপ আনন্দ টাকেই মাটি করে দেয়। সেই চাপ যাতে কিছুটা কমানো হয়।
ইংরেজ বাজার পুরসভার বিরোধী দলনেতা, তথা বিজেপি কাউন্সিলর অম্লান ভাদুড়ীর অভিযোগ, আগে আমরা দেখতাম কলকাতায় পার্ক স্ট্রিট বা অন্যান্য জায়গায় এই ধরনের কার্নিভাল হত। বিগত কয়েক বছর ধরে দেখছি জেলাগুলিতেও হচ্ছে। কিন্তু কার্নিভালের নামে ব্যবসায়ী কন্ট্রাক্টার, প্রোমোটারদের কাছ থেকে যেভাবে টাকা আদায় করা হয় তাকে তোলাবাজি বললেও অন্যথা কিছু হবে না। এটা বন্ধ হওয়া দরকার
মানুষ আনন্দ করবে আর বিজেপিরা শুধু অভিযোগ করে পাল্টা দাবি পুরো চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর।

