পাঁচটি মোবাইল, চারটি বাইক উদ্ধার; সাত দিনের রিমান্ডে ধৃতরা।

হুগলি, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ০৩/০৯/২০২৫ রাত্রি ১০ টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গুর থানার অন্তর্গত নোয়াপাড়ার বাসিন্দা চৈতালী মসেল সিঙ্গুর থানায় একটি অভিযোগ জানান যে ওনার স্বামী বিকাশ মশেল গত দুই তারিখ থেকে নিখোঁজ আছেন যিনি দুই তারিখ সকালে অন্যান্য প্রতিদিনের মতো সকাল দশটা নাগাদ বাড়ি থেকে অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। এবং আজ সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার সময় বিকাশ মশেল তার নিজের ফোন থেকে অভিযোগকারীনিকে ফোন করে জানান তার ১৩ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। অভিযোগকারীনি কারণ জানতে চাওয়ায় তার স্বামী বিকাশ মোসেল জানান তাকে কয়েকজন ব্যক্তি টাকার জন্য আটক করে রেখেছে এবং তারা ১৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সিঙ্গুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয় যার নম্বর ৪৮৭/২০২৫, তারিখ ০৩/০৯/২০২৫, ধরা ১২৭(২)/১৪০(২)/৬১(২) বিএনএস । এরপর সিঙ্গুর থানার পুলিশ তদন্তে নেমে সাব ইন্সপেক্টর বাপি হালদারের নেতৃত্বে এবং হুগলি রুরাল পুলিশের এসওজি ছেলের সহায়তায় হাওড়া জেলার ডোমজুড় থানার অন্তর্গত বাঁকড়া অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে অপহৃত বিকাশ মশেল কে উদ্ধার করেন এবং পাঁচজন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেন। অপহরণকারীদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ও চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ অর্থাৎ ০৪/০৯/২০২৫ সিঙ্গুর থানার তদন্তকারী অফিসার আসামিদেরকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের প্রেয়ারসহ চন্দননগর মহকুমা আদালতে পেশ করেন।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় অপহৃত ব্যক্তি বিকাশ মশেল বিভিন্ন ব্যাংকের লোন এর কাজ করতেন এবং বিভিন্ন কাস্টমারকে লোন পাইয়ে দিতেন। অপহরণকারীরা তার এই কাজের সুযোগ নিয়ে তাকে প্রথমে এয়ারপোর্ট থানার অন্তর্গত বিরাটি নীলাচল এলাকায় ডাকেন এবং সেখান থেকে তাকে অপহরণ করে হাওড়ার ডোমজুড়ে নিয়ে আসে এবং তার কাছ থেকে মুক্তিপন দাবি করে। অপহরণকারীদের সঙ্গে অবহিত ব্যক্তির পূর্ব কোন পরিচিত ছিল কিনা বা কোনরকম টাকা-পয়সার লেনদেন ছিল কিনা পুলিশ সেটা খতিয়ে দেখছে।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *