বৃষ্টি ও কাদায় নাজেহাল গ্রামবাসী, রাস্তা না হলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি ঝার আলতা অঞ্চলে।
ধুপগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় গ্রাম বাংলার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বিসি ডাব্লিউ ডিপার্টমেন্টের অর্থানুকুলে জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি মহকুমার অন্তর্গত ঝার আলতা ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ১৫/৮৪ নং বুথে নকুল রায়ের বাড়ি থেকে মহেশ রায়ের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার শিলার নাজ হয়েছিল গত ৩০ শ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে। যার শুভশিলান্নাশ হয়েছিল ধুপগুড়ি বিধায়ক প্রফেসর নির্মল চন্দ্র রায়ের হাত ধরে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রধান পঞ্চায়েত থেকে তৃণমূলের ব্লক স্তরের নেতৃত্ব দাও। যা তৃণমূল বিধায়ক তার ফেসবুকে মুখ্যমন্ত্রী ও অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তরের স্বাধীন প্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বুলু চিক বড়াই কে ধন্যবাদ জানিয়ে ফেসবুক পোস্ট করেছিলেন। প্রায় বছর ঘুরে এলেও রাস্তা সংস্কারের কোনরূপ নাম গন্ধ নেই এই এলাকায়। এদিকে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় লাগাদার বেশ কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে জনমগ্ন গ্রামাঞ্চল। আর এতেই এই এলাকার মানুষের যাতায়াতে তীব্র সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আজ আমরা এলাকায় পৌঁছালে সাধারণ মানুষের মুখে রাস্তা সংস্কার না হলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি শোনা যায়। স্থানীয় সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে বিরোধীদল বিজেপি নেতৃত্ব তীব্র কটাক্ষ করেন ধুপগুড়ি বিধায়ক থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতৃত্বদের।
এদিকে গোটা ঘটনা নিয়ে ধুপগুড়ি গ্রামীণ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাফাই আবার অন্যদিকে। তৃণমূলের তরফে দাবী করা হয়েছে, গ্রামের ভেতর যে রাস্তাটি নির্মাণের শিলান্যাস হয়েছিল সেখানে রাস্তার দু’ধারে অনেক পুকুর থাকায়, কুকুরের দু ধারে গাডোয়াল করা না হলে রাস্তার টেকসই হবে না। সেক্ষেত্রে নবান্নের নতুন ভাবে রাস্তার নির্মাণের প্ল্যান এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে। দ্রুত এই রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ করা হবে। আর এতেই এক হাত করে নিয়েছে বিজেপি। শিলার নস্করে গ্রামের মানুষকে বোকা বানানো, ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি এমনটাই অভিযোগ করে তীব্র কটাক্ষ করলেন নেতৃত্ব। এখন দেখার আমরা সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরার পর প্রশাসন কতটা পদক্ষেপ নেয় সেটাই সময়ের অপেক্ষা।

