সংখ্যাতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে নতুন দিশা, আসছে ‘এ গ্লিম্পস অফ লাইট’ পার্ট টু।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট:- সংখ্যার রহস্যময় জগৎকে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের আলোয় তুলে ধরে পাঠকমহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের ভূমিপুত্র, রায়গঞ্জ কসবার চতুর্থ আরক্ষা বাহিনীর কনস্টেবল গৌরব চংদার। তাঁর লেখা গ্রন্থ “এ গ্লিম্পস অফ লাইট”-এর প্রথম পর্ব ইতিমধ্যেই তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এবার সেই ধারাবাহিকতায় আসছে দ্বিতীয় পর্ব, যা সংখ্যাতত্ত্বের গভীরতা এবং তার প্রভাব নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা নিয়ে আসবে।
বিশ্বায়নের যুগেও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি অনেকাংশে তন্ত্রমন্ত্র বা অন্ধবিশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু গৌরব চংদার তাঁর “এ গ্লিম্পস অফ লাইট” গ্রন্থে দেখিয়েছেন, সংখ্যা তত্ত্ব কোনো অলৌকিক বিষয় নয়; বরং এটি মানবজীবনের কর্ম এবং সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি।
প্রথম পর্বে তিনি সংখ্যার গাণিতিক শক্তি এবং তার ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিশা ব্যাখ্যা করেছিলেন। সেই ব্যাখ্যা শুধু বালুরঘাট নয়, গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল।
দ্বিতীয় পর্বে গৌরব চংদার আরও গভীরে গিয়ে সংখ্যার কার্যকারিতা এবং তার প্রভাব তুলে ধরেছেন। নতুন সংযোজন হিসেবে তিনি মোবাইল নম্বরের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, মোবাইল নম্বরের সংখ্যা একজন ব্যক্তির জীবনে ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এটি জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের চাবিকাঠি হয়ে উঠতে পারে।
গৌরব চংদার বলেন, “সংখ্যা তত্ত্ব ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল কোনো বিষয় নয়। এটি মানুষের কর্ম এবং সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। আমার লক্ষ্য, এই বইয়ের মাধ্যমে পাঠকরা সংখ্যা তত্ত্বের গভীরতা এবং তার প্রভাব সম্পর্কে জানুক এবং তাদের জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হোক।”
“এ গ্লিম্পস অফ লাইট” দ্বিতীয় পর্বে সংখ্যার রহস্যময় জগৎকে আরও বেশি সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে। সংখ্যা কীভাবে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের সঙ্গী হয়ে ওঠে এবং সঠিক পথে পরিচালিত করে, তা নিয়ে রয়েছে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা।
দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশের খবরেই পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই আশা করছেন, প্রথম পর্বের মতোই দ্বিতীয় পর্বও সংখ্যার রহস্যময় জগৎ নিয়ে নতুন দিশা দেখাবে।
গৌরব চংদারের “এ গ্লিম্পস অফ লাইট” নিঃসন্দেহে সংখ্যাতত্ত্বের জগতে এক যুগান্তকারী অধ্যায় হয়ে থাকবে। সংখ্যা এবং তার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণকে সহজবোধ্য করে তোলার মাধ্যমে তিনি এক নতুন আলো দেখিয়েছেন। এই গ্রন্থটি শুধু সংখ্যাতত্ত্বের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে না, বরং মানবজীবনের সঠিক দিশা নির্ধারণে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন পাঠক এবং সমালোচকরা।
“এ গ্লিম্পস অফ লাইট” দ্বিতীয় পর্ব খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। সংখ্যার আলোয় জীবনের গল্প জানতে আগ্রহী পাঠকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই বইটির জন্য।

