মমতার হাত ধরে স্বপ্নের ঘর, কল্যাণীর সগুনায় উৎসবের মেজাজ উপভোক্তাদের মধ্যে।
নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা :- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজ্যে শুরু হলো বাংলার আবাস যোজনার দ্বিতীয় দফার প্রথম কিস্তির টাকা প্রদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। সোমবার রাজ্যজুড়ে এই কর্মসূচির সূচনা হওয়ার পাশাপাশি নদীয়া জেলার প্রতিটি ব্লকে ও পঞ্চায়েত স্তরে এর সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়। কল্যাণী ব্লকের সগুনা অঞ্চলেও এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উৎসবের মেজাজ ধরা পড়ল।
এদিন সগুনা অঞ্চল পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মোট ৫৮৯ জন উপভোক্তার হাতে আগামীতে বাড়ি তৈরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদন পত্র এবং মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ করা যায়।
এদিনের সভায় উপস্থিত মহাকুমার শাসক ডক্টর অভিজিৎ সামন্ত, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক খন্দকার আল মাহমুদ, পঞ্চায়েত প্রধান সুনীল রায়, মহকুমা শাসক অভিজিৎ সামন্ত জানান “যাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্রুত প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে গেছে। টাকা পাওয়ার পর সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে। সরকারি এই প্রকল্পের কাজে কোনোভাবেই অবহেলা করা চলবে না।” এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান, “যাঁদের এখনও কাঁচা বাড়ি কিন্তু তালিকায় নাম নেই, তাঁরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবেন। এমনকি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে ফোন করে নিজেদের নাম ও সমস্যার কথা নথিভুক্ত করতে পারেন। প্রথম পর্যায়ের টাকা দিয়ে দ্রুত লিন্টন অব্দি কংক্রিটের গাঁথনি কমপ্লিট করার জন্য অনুরোধ করেছেন যাতে দ্বিতীয় পেজের টাকাটা তাড়াতাড়ি দিতে পারেন “
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমাজকর্মী তারক চন্দ্ মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ” বিজেপির ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার বঙ্গবাসী মমতা ব্যানার্জির মায়ের মত আঁচল ছড়িয়ে কুড়ি লক্ষ বাঙালিকে সুখী গৃহকোণের ব্যবস্থা করে দিলেন। “
সরকারি এই সহায়তা পেয়ে খুশি উপভোক্তারাও। অনুমোদন পত্র হাতে পেয়ে এক উপভোক্তা বলেন, ” মমতা ব্যানার্জি তার প্রয়োজনকে সম্পূর্ণ করে দিয়েছে। তার জন্য তিনি মমতা ব্যানার্জিকে বুক ভরা আশীর্বাদ করবেন এবং আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রী হন সেটাই তিনি চান ।”
সব মিলিয়ে, কল্যাণীর সগুনা অঞ্চলে বাংলার আবাস যোজনার এই অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হলো। প্রশাসনের এই তৎপরতায় খুশি এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

