এসআইআর শুনানির পর অসুস্থ হয়ে মৃত্যু কৃষকের, জামলাবাদে তৃণমূলের সাহায্যের হাত।
দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- এসআইআর আতঙ্কে মৃত প্রৌঢ়ের পরিবারের পাশে দাঁড়াল তপন ব্লকের অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস। বাড়িয়ে দেওয়া হল সাহায্যের হাত।
উল্লেখ্যে তপন ব্লকের চন্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জামলাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ফয়দ্দিন সরকার (৬৬)। পেশায় তিনি কৃষক। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। সেজন্য মঙ্গলবার এসআইআরের শুনানির জন্য তাঁর ডাক পড়ে ছিল বিডিও অফিসে। পরিবারের অভিযোগ এসআইআর শুনানির ডাক পাবার পর থেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন ফয়দ্দিন। আতঙ্ক নিয়ে তিনি তপন বিডিও অফিসে এসআইআরের শুনানির লাইনে দিনভর দাঁড়িয়ে ছিলেন। শুনানি শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলে প্রৌঢ় অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে দাবি। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তপন হাসপাতাল গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে আসে। কিন্তু ফয়েজদ্দিনের শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্থানান্তিরত করা হয় গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। মঙ্গলবার রাতে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর বুধবার পরিবারের লোকজন
এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর দাবি তোলেন। ঘটনায় তপন সহ জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরিবারের দাবি ফয়েজদ্দিন ছোট বেলায় স্থানীয় স্কুলে লেখাপড়া করেছে। এমনকি ধাইনগর উচ্চ বিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য তিনি জমিদাতা ছিলেন। তাঁর লেখাপড়ার সার্টিফিকেট থাকা সত্বেও এসআইআরের শুনানিতে তাকে ডাকা হয়েছিল। এসআইআরের আতঙ্কেই তিনি মারা গিয়েছেন। এনিয়ে ঘটনার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে চাপান উতোর শুরু হয়
বৃহস্পতিবার বেলা ১টা বাজতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অজয় বর্মন ওরফে সনুর নেতৃত্বে তপন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস (তপন বিধানসভা) সহসভাপতি সঞ্জয় শীল,তৃণমূল নেতা রবিউল ইসলাম,তপন ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেল (তপন বিধানসভা ) সভপতি মিজানুর রহমান,চন্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান রাহুল সরকার,সহ চন্ডীপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের এক ঝাঁক নেতা কর্মীরা জামলাবাদে মৃত প্রৌঢ়ের বাড়িতে যান। পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তৃণমূল নেতা অজয় বর্মন মৃতের পরিবারকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

