পলিয়েস্টার পোশাক নিয়ে ক্ষোভ: পতিরামের আটহর প্রাইমারি স্কুলে ইউনিফর্ম বিতর্কে চাঞ্চল্য।
দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সরকারী স্কুলে অতি নিম্নমানের পোশাক সরবরাহের অভিযোগ। পতিরামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জেলাশাসককে একযোগে লিখিত অভিযোগ অভিভাবক ও শিক্ষকদের। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আটইর এফপি স্কুলের। তাদের অভিযোগ, যশোদা রানি সংঘ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দ্বারা সরবরাহকৃত স্কুল ইউনিফর্ম মানের দিক থেকে নিম্নমানের এবং পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে তৈরি। যা গ্রহণ করতে তারা অস্বীকার করেছেন। কারণ ওই নিম্নমানের এবং পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে তৈরি পোশাক গ্রীষ্মকালে পরার জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও অসহনীয় হয়ে উঠবে ছাত্র-ছাত্রীদের। তাদের আরো অভিযোগ, উপরোক্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দলনেত্রী বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং এর ফলে বিদ্যালয়ে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত ও মানসম্মত সুতির স্কুল ইউনিফর্ম সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং বিকল্প কোনও নির্ভরযোগ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠী নিয়োগের ব্যবস্থা করবার দাবি জানানো হয় তাদের তরফে।
পতিরাম থানার অন্তর্গত আটহর প্রাইমারি স্কুলটিতে বর্তমানে ৮৪ জন ছাত্র ছাত্রীর দায়ীত্বে রয়েছে তিন জন শিক্ষক শিক্ষিকা। যে স্কুলের টিচার ইন চার্জ রয়েছেন ব্রতীন রায়। এই স্কুলের পোশাক বিলি নিয়ে প্রথম থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। যাকে কেন্দ্র করে স্কুল চত্বরেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তবে প্রথম থেকেই ওই স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের অভিভাবকরা সরব হয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর বিলি করা নিম্নমানের পোশাক বিলি নিয়ে। তাদের অভিযোগ, অতি নিম্নমানের এবং পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে ছোট ছোট শিশুদের পোশাকগুলি তৈরি করা হয়েছে। যা গরমকালে পরার ক্ষেত্রে শিশুদের অসহ্য হয়ে উঠবে। তাই তারা চান সুতির পোশাক।
অভিভাবক টুলটুলি হালদার ও চায়না কর্মকারদের অভিযোগ, অতি নিম্নমানের পোশাক দেওয়া হয়েছিল স্কুলে। অবিলম্বে সেই পোশাক বদলে সুতির পোশাক দেওয়া হোক।
স্কুলের টিচার ইন চার্জ ব্রতীন রায় বলেন, অভিভাবকরা প্রথম থেকেই এই পোশাক নিতে অস্বীকার করেছে। কেননা তাদের দাবি, পোশাকের কাপড়টি অতি নিম্নমানের ও পলিয়েস্টার কাপড়ের। অভিভাবকদের সেই দাবি মত এদিন জেলাশাসককে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে স্কুলের তরফে। যে অভিযোগ পেয়েই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক বালা সুব্রামানিয়ান টি।সরকারী স্কুলে অতি নিম্নমানের পোশাক সরবরাহের অভিযোগ। পতিরামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জেলাশাসককে একযোগে লিখিত অভিযোগ অভিভাবক ও শিক্ষকদের। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আটইর এফপি স্কুলের। তাদের অভিযোগ, যশোদা রানি সংঘ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দ্বারা সরবরাহকৃত স্কুল ইউনিফর্ম মানের দিক থেকে নিম্নমানের এবং পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে তৈরি। যা গ্রহণ করতে তারা অস্বীকার করেছেন। কারণ ওই নিম্নমানের এবং পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে তৈরি পোশাক গ্রীষ্মকালে পরার জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও অসহনীয় হয়ে উঠবে ছাত্র-ছাত্রীদের। তাদের আরো অভিযোগ, উপরোক্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দলনেত্রী বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং এর ফলে বিদ্যালয়ে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত ও মানসম্মত সুতির স্কুল ইউনিফর্ম সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং বিকল্প কোনও নির্ভরযোগ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠী নিয়োগের ব্যবস্থা করবার দাবি জানানো হয় তাদের তরফে।
পতিরাম থানার অন্তর্গত আটহর প্রাইমারি স্কুলটিতে বর্তমানে ৮৪ জন ছাত্র ছাত্রীর দায়ীত্বে রয়েছে তিন জন শিক্ষক শিক্ষিকা। যে স্কুলের টিচার ইন চার্জ রয়েছেন ব্রতীন রায়। এই স্কুলের পোশাক বিলি নিয়ে প্রথম থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। যাকে কেন্দ্র করে স্কুল চত্বরেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তবে প্রথম থেকেই ওই স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের অভিভাবকরা সরব হয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর বিলি করা নিম্নমানের পোশাক বিলি নিয়ে। তাদের অভিযোগ, অতি নিম্নমানের এবং পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে ছোট ছোট শিশুদের পোশাকগুলি তৈরি করা হয়েছে। যা গরমকালে পরার ক্ষেত্রে শিশুদের অসহ্য হয়ে উঠবে। তাই তারা চান সুতির পোশাক।
অভিভাবক টুলটুলি হালদার ও চায়না কর্মকারদের অভিযোগ, অতি নিম্নমানের পোশাক দেওয়া হয়েছিল স্কুলে। অবিলম্বে সেই পোশাক বদলে সুতির পোশাক দেওয়া হোক।
স্কুলের টিচার ইন চার্জ ব্রতীন রায় বলেন, অভিভাবকরা প্রথম থেকেই এই পোশাক নিতে অস্বীকার করেছে। কেননা তাদের দাবি, পোশাকের কাপড়টি অতি নিম্নমানের ও পলিয়েস্টার কাপড়ের। অভিভাবকদের সেই দাবি মত এদিন জেলাশাসককে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে স্কুলের তরফে। যে অভিযোগ পেয়েই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক বালা সুব্রামানিয়ান টি।

