তিন নদীর ভাঙনে ভিটেহারা পরিবার, ক্ষোভে ফুঁসছে রতুয়ার বাসিন্দারা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা:ভাঙন কবলিত এলাকার পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে দুর্গতদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু। রবিবার তাকে ঘিরে নদী ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবীতে বিক্ষোভ দেখালেন রতুয়া-১নং ব্লকের মহানন্দাটোলা অঞ্চলের ভাঙন কবলিত এলাকার বাসীন্দারা।গত কয়েক বছর ধরেই রতুয়া-১নং ব্লকের বিলাইমারি এবং মহানন্দাটোলা অঞ্চলে আগ্রাসী ভাঙন চালাচ্ছে গঙ্গা-ফুলহর ও কোশী নদী। তিন-তিনটি নদীর ত্রিফলা আক্রমণে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসীন্দারা। ইতিমধ্যে হাজার হাজার বিঘা জমি তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। ভিটেমাটিহীন হয়ে পড়েছে বহু পরিবার। আরও বহু পরিবার ভিটেমাটিহীন হয়ে পড়ার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এবছর ইতিমধ্যে ব্যাপক নদী ভাঙন চলছে বিলাইমারি অঞ্চলের পশ্চিম রতনপুর এবং মহানন্দাটোলা অঞ্চলের কান্তটোলা, শ্রীকান্তটোলা, মুলিরামটোলা, জিতুটোলার মতো একাধিক এলাকায়। তাই রবিবার ওই সমস্ত এলাকার ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু। তাকে কাছে পেয়েই মহানন্দাটোলা অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের ভাঙন দুর্গতরা সাংসদকে ঘিরে ধরেন। তার কাছে নদী ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবী জানান। এবং সেই দাবীতে ভাঙন দুর্গতরা সাংসদকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। বাধ্য হয়ে সাংসদ এলাকা ছাড়েন।এই প্রসঙ্গে সাংসদ খগেন মুর্মুকে ধরা এই প্রসঙ্গে সাংসদ খগেন মুর্মুকে ধরা হলে তিনি বলেন, ভাঙন কবলিতরা সঙ্গত কারণেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। দিনের পর দিন তারা। ভিটেমাটিহীন হয়ে পড়ছেন। অথচ রাজ্য সরকার ভাঙন রোধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। ভাঙন রোধের জন্য ডিপিআর তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠাচ্ছে না। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার ভাঙন রোধে অর্থ বরাদ্দ করতে পারছে না। তাই এই ভাঙন পরিস্থিতির জন্য, রাজ্য সরকার পুরোপুরি দায়ী।

