১০ লক্ষ টাকায় নির্মিত কালভার্টে ফাটল, উদ্বোধনের আগেই ঘনাচ্ছে উদ্বেগ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা ২৬ জুলাই —- কাজ শেষ হয়েছে সপ্তাহ তিনেক আগেই। চলছে মাটি ভরাটের কাজ। এখনও অনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও হয়নি। আর এই সময়ের মধ্যেই কালভার্টে ফাটল ধরতে শুরু করছে। ঝুঁকে গিয়েছে দেওয়াল। এমনই অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুয়া-আজিমপুর গ্রামে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ,নিম্নমানের কাজের জন্যই ওই ফাটল। ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শনিবার সকালে বিক্ষোভে সামিল হলেন এলাকার মানুষ। যদিও ঠিকাদার আব্দুল
রউফের দাবি,সিডিউল মেনে কাজ হয়েছে। জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার কাজ খতিয়ে দেখেছে। কালভার্টে সামান্য চির ধরেছে। সমস্যা হবে না। স্থানীয়রা মাটি ভরাটের কাজ আটকে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,বহু বছর ধরে বিরুয়া-
আজিমপুর জলাশয়ের উপর কোনও কালভার্ট ছিল না। ঘুরপথে মানুষকে যাতায়াত করতে হত। বর্ষার সময় চরম সমস্যা হত। বিভিন্ন জায়গায় নতুন কালভার্টের দাবি জানানোর পর সম্প্রতি জেলা পরিষদের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের তহবিল থেকে প্রায় দশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন কালভার্ট।কালভার্ট তৈরি কাজ শেষ হওয়ার কয়েকদিন পরই কালভার্টের নীচের অংশে ফাটল দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তসিফুল হক বলেন,কাজের মান ভালো হয়নি। নিম্নমানের বালি, সিমেন্ট ও রড দিয়ে কাজ করা হয়েছে। সেজন্যই কালভার্টের দুই দিকে ফাটল দেখা দিয়েছে। এখনও বর্ষা আসল না, ঠিক করে গাড়ি চলাচল শুরু হল না। এখনই যদি এই রকম অবস্থা হয় তাহলে আগামীতে কী হবে? কালভার্ট ভেঙে গেলে তো আমাদের আবার সমস্যা হবেই। একই রকম কথা শোনা গেলো ওই এলাকার বাসিন্দা ফজলুল হক ও মহম্মদ ইলিয়াসের কাছেও।জেলা পরিষদের জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার একরামুল হক বলেন,
এক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে।
টেকনিক্যাল দিক থেকে ঠিকই আছে।কাজ ভালো হয়েছে। কোনও সমস্যা হবে না বলেই আশা করি।যদিও প্রশাসন কাজ ভালোর কথা বললেও গ্রামবাসীদের মনে প্রশ্ন রেখেই দিচ্ছে কালভার্টের ওই ফাটল।

