বাইক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে মৃত যুবক, হাসপাতালে বিক্ষোভ পরিবারের।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা—হাসপাতালে চিকিৎসক দেরীতে আসার কারণে মৃত্যু যুবকের। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন রোগীর পরিবার। রোগী হয়রানি ও চরম অবস্থার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মৃতের পরিবারের।ঘটনাটি ঘটে রবিবার রাতে এমনি ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। রাজ্যের মন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তাজমুল হোসেন ওই হাসপাতালের চেয়ারম্যান।স্বভাবতই গোটা ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে রবিবার রাতে তিন ভাই মিলে সুলতাননগর থেকে বাইকে করে বিহারে বিয়ের কার্ড দিতে যাচ্ছিল। সময় বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুমেদপুর এলাকায় বাইকের সঙ্গে একটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সজোরে গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়েন তিন ভাই। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি করে তিন ভাই কে উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে সে সময় হাসপাতালে কোন চিকিৎসকের দেখা পাননি বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের। আশঙ্কজনক অবস্থায় তাদের চিকিৎসা শুরু না করে হাসপাতালের ওয়ার্ডে কাগজপত্রের বাহানা দেখিয়ে মৃতের পরিবারকে হয়রানি করানো হয়। চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হয় মাঞ্জার আলীর বলে অভিযোগ । বাড়ি বিহারের শালমারী এলাকায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুই ভাই নাজিম আলী ও শাকিরকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান তাদের পরিবার। আহত শাকিরের বাড়ি সুলতাননগর এলাকায়। বাকি দুই ভাইয়ের বাড়ি বিহারের শালমারী এলাকায়। মাঞ্জারের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে মৃতের পরিবার। হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় ও সময় মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের পরিবার। হাসপাতালের সামনে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা। অন্যদিকে চিকিৎসার অভাবে দুর্ঘটনা জনিত রোগীর মৃত্যু এই অভিযোগ মানতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ছোটন মন্ডল বলেন, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের। হাসপাতালে চিকিৎসক ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *