বিশ্ব বসুন্ধরা দিবসে আত্রেয়ী নদীর চক ভবানী ড্যাম এলাকায় গিয়ে মৎস্যজীবী ও স্থানীয় মানুষদেরকে সচেতন করে সংকল্পের সদস্যরা।
দঃ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ২২ শে এপ্রিল বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস ১৯৭০ সাল থেকে সমগ্র পৃথিবী জুড়ে এই বাইশে এপ্রিল বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস পালিত হয় প্রথমবার ১৯৩ টি দেশ এতে অংশ নিয়েছিল। সমগ্র পৃথিবী ও সমগ্র ভারতবর্ষের সঙ্গে বালুরঘাটে ও এই দিনটি পালন করে পরিবেশ প্রেমি সংস্থা হিসেবে সংকল্প। আজ আত্রেয়ী নদীর চক ভবানী ড্যাম এলাকায় গিয়ে মৎস্যজীবী ও স্থানীয় মানুষদেরকে সচেতন করে হিসেবে সংকল্পের সদস্যরা। দিশারী সংকল্পের সদস্যদের কাছে খবর আসে গত কয়েকদিন ধরে মৎস্যজীবীদের ফান্দি জালে জলচর পাখিরা বিপদের কথা। সেই অনুযায়ী আজ দেশের সংকল্পের পক্ষে তুহিন শুভ্র মন্ডল, বিজন সরকাররা সেই এলাকায় মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষ দের সচেতন করে। মৎস্যজীবী নরেন হালদার নিজেও বলেন এমন ঘটনা এখানে ঘটছে না। তবে আমার নজরে পড়লে আমি অবশ্যই মানা করবো এবং অন্যদেরকেও জলচর পাখি দের এই বিপদের কথা বলবো।
তার কথায় কিছুদিন আগেও নদীর চরে অসংখ্য সরাল ছিল। জল আসে এখন দেখা যাচ্ছে না। এবার এই নদীতে গত বছরের তুলনায় জলচর পাখি প্রচুর দেখা গিয়েছে। দেখা মিলেছে পরিযায়ী পাখিরও। লেসার হুইসিলিং ডাক যেমন অনেক এসেছিল। তেমনই ক’দিন আগেও দেখা গিয়েছে নর্দান শোভেলার, গারগেনি দের।গ্রীনশ্যাঙ্ক, স্যান্ডপাইপার, রিভার ল্যাপউইং দেরও ঘুরতে দেখা গিয়েছে ইতিউতি। তাদের সুরক্ষায় যেন কোনো অসুবিধা না হয়, অস্তিত্ব সংকটে না পড়ে ত সেই কারণেই সচেতনতা অভিযান দিশারী সংকল্পের।এরই সাথে নদী ও মাছ বৈচিত্র্য সম্পর্কেও সচেতন করা হয়।
দিশারী সংকল্পের পক্ষে তুহিনশুভ্র মণ্ডল, বিজন সরকাররা বলেন ‘ আমাদের কাছে প্রতিটি দিনই বসুন্ধরা দিবস। নদী, পাখি, মাছ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো। বসুন্ধরা ভালো থাকবে।এই সহজ সত্যটা বুঝতে হবে।’

