পুলিশি লাঠিচার্জ নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- কলকাতার কসবাতে চাকরি হারানো প্রার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশি লাঠিচার্জ নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, বুধবার বিকেলে তমলুক জেলা কার্যালয়ে দলীয় কর্মসূচি ছেড়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন লাথি মারা সরকার আর নেই দরকার। যে পুলিশ শিক্ষককে লাথি মেরেছে তাকে এক্ষুনি সাসপেন্ড করা উচিত। পুলিশ মন্ত্রী উনি বের হননি কেনো। আর জঙ্গিপুরে শাটার নামিয়ে দিচ্ছে শাটার খুলবেন না এই পুলিশের অবস্থা। অন্যদিকে আগামীকাল মহাবীরী জয়ন্তী সেই বিষয় নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব কোলকাতাতে মুসলিম সংগঠনের অনুষ্ঠান রয়েছে কোন ধরনের জরুরী সম্প্রদায়ের মানুষদের অনুষ্ঠানের ব্যাঘাত না ঘটে তা দেখার ব্যবস্থা করব এবং তাদের মিটিংয়ের ডেট চেঞ্জ করার অনুরোধ জানাবো। সব ধর্মের মানুষেরই অনুষ্ঠান করার অধিকার রয়েছে। জৈন সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে জানোনা ব্যাঘাত ঘটে সেটা দেখার অনুরোধ করব।
পুলিশ সংযত হবেনা, পুলিশ তো রাজ্য চালাচ্ছে। সেজন্য বিরোধী দলনেতা ক ৮০বার হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে কার্যক্রম করতে হয়েছে, ঠিক এভাবেই কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, পাশাপাশি তিনি আরো বলেন যেখানে পুলিশের গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে,বিশৃঙ্খলা হচ্ছে পুলিশ সেখানে নিরব দর্শক প্রান বাঁচাতে দোকানের ভেতরে আশ্রয় নিচ্ছে,শুভেন্দু অধিকারী বলেন এইজন্য মনোজ বার্মা, রাজিব কুমার এদের মত বাচ্চাটা আইপিএস অফিসার জন্যই হচ্ছে। এরা রাজ থেকে টাকা তুলে ভিন রাজ্যে বাড়িতে পাঠায়, মমতা ব্যানার্জির দয়া
কোন দিকে আজকে লালবাজার অভিযানে বিজেপি বিধায়ক আটক নিয়ে বলেন বিধানসভা থেকেই খবর পেয়েই শিক্ষকদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে লালবাজার অভিযানে গিয়েছিলেন তাদের চাইলে পুলিশ ডেকে কথা বলতে পারতো তা না করে টেনে হিঁজুরের নিয়ে গিয়েছে, তারা পাল তাদের ব্যাপার তারা কালকে কোর্টে পাঠাবে না সন্ধ্যার পর ছেড়ে দিবে তাদের বিষয়।হলদিয়া থেকে কলকাতার মেয়র ববি হাকিমের প্রশ্নের উত্তর দেন উনিকে উনাকে,কম কথা বলতে বলুন উনার মুখ থেকে যত কথা কম বেরোবে ততই ভালো।

