নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন তিনি ভারতবর্ষের চৌকিদার। তার হাত থেকে দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। কিন্তু বিজেপি সরকার আসার পর থেকে একের পর এক দুর্নীতিতে ফেরার নিরব মোদী বিজয় মালিয়ার মতো তাবড় তাবড় ব্যক্তিগণ। ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা এই ব্যক্তিদের সঙ্গে দুর্নীতিতে বারবার নরেন্দ্র মোদি সরকারের নাম জড়িয়েছে।
সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রায় প্রত্যেকটা জনসভায় নরেন্দ্র মোদি সরকার কে এই দুর্নীতি প্রসঙ্গে ঠাট্টা করে বলেন যে চৌকিদার চোর হ্যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটার একাউন্টের নাম চেঞ্জ করলেন – চৌকিদার নরেন্দ্র মোদি। একই ভাবে নাম চেঞ্জ করেছেন অমিত শাহ। তিনি লেখেন যে চৌকিদার অমিত শাহ।
কিন্তু বিগত বিজেপির বিগত পাঁচ বছরের রাজনৈতিক কার্যকলাপ বিচার বিবেচনা করলে দেখা যাবে নরেন্দ্র মোদী একটাও চৌকিদারিত্ব মূলক কাজ করেননি। তিনি আম্বানির দালালি করে সময়টা কাটিয়ে দিয়েছে। তার আমলে নিরব মোদী বিজয় মালিয়ার মতো তাবড় তাবড় শিল্পপতিরা ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা লুট করে বিদেশে চলে গিয়েছে। এমনকি মেহুল চোকসিকে অ্যান্টিগুয়ার নাগরিকত্ব পেতে সাহায্য করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। সেই দিক দিয়ে দেখা যায় রাহুল গান্ধীর কথা যথার্থই যে চৌকিদার চোর হ্যায়। এর আগেফ্রান্সের সাথে রাফায়েল চুক্তি তেও নরেন্দ্র মোদি সরকারের হস্তক্ষেপ এবং যার ফলে রিলায়েন্স 30 হাজার কোটি টাকা লাভ করতে চলেছে। এই রাফায়েল চুক্তি সামনে আনতে রাজি নয় নরেন্দ্র মোদি সরকার। যার ফলে নরেন্দ্র মোদীর চৌকিদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

Leave a Reply