মোদির বিরুদ্ধে রাহুল প্রিয়াঙ্কা। বাজিমাত হবেকি ??

0
143

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। রাজনীতির ময়দানে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। চাপান উতর তুঙ্গে। এরই মাঝখানে রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ করলেন প্রিয়াঙ্কা বোডরা। রাহুলের মরা গাঁঙে জল এলো বলে মনে করছে সকলে। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছিলো তা এখন আর নাও হতে পারে বলে অনেকের মত। কিন্তু একেবারে হেরে যাবার মতো পরিস্থিতি বিজেপির হয়নি। লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি হতে পারে।
প্রিয়াঙ্কাকে রাজনীতিতে স্বাগত জানিয়েছে সকলে। নিজের দল কংগ্রেস চাইছে এবার সোনিয়া গান্ধীর লোকসভা কেন্দ্র রাইবরেলিতে প্রিয়াঙ্কা কে দাঁড় করানো হোক।

বস্তুত প্রিয়াঙ্কা রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে জাতীয় রাজনীতিতে হইচই পড়ে গিয়েছে। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার মুখের মিল রয়েছে। অনেকে বলেন, ইন্দিরার ছায়া। ঠাকুমা-নাতনির ছবি নতুন করে ছেয়ে ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়া। বিজেপি তো বটেই, অনেকেই আবার পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি নিয়ে খোঁচাও দিচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে রাহুল এ দিন বলেন, “প্রিয়াঙ্কা আর আমার উপর দিয়ে কী ঝড় বয়েছে তা আমরাই জানি। বাইরে থেকে মনে হয় কত সহজে এঁরা কত কিছু পেয়ে যাচ্ছে! অথচ আমরা ঠাকুমাকে হারিয়েছি, বাবাকে হারিয়েছি। তাঁদের নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল। রাজনীতির বলি হয়েছেন তাঁরা। ওই দুই ঘটনা আমাদের আরও কাছে এনে দিয়েছে।” কংগ্রেস সভাপতি এ দিন বোঝাতে চান, পরিবারে পর পর দুই হত্যার ঘটনার পর রাজনীতিতে নামাটা সহজ ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে অনেকেই হয়তো পিছিয়ে আসতেন
তবে প্রিয়াঙ্কা যখন রাজনীতিতে নেমেই পড়েছেন তখন খেলা এ বার স্ট্রেট ব্যাটে হবে বলেই জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি। কদিন আগে উত্তরপ্রদেশ সফরে গিয়ে রাহুল বলেছিলেন, প্রিয়াঙ্কাকে দায়িত্ব দেওয়ার পর কংগ্রেস এ বার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য লড়াইয়ে নামবে। দলকে শক্তিশালী করাকেই তাঁরা এখন চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছেন। ওড়িশাতেও দলের লক্ষ্য হবে সেটাই।

Leave a Reply