জয়মাল্য দেশমুখ : দিন কয়েক আগেই গোটা দেশের তাবড় অভিনেতা,নাট্যকর্মী তথা বুদ্ধিজীবিদের একাংশ বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সাধারন মানুষকে ভোট দেওয়ার আবেদন করেছিলেন।নাসিরুদ্দিন শাহ,অমল পালেকর-দের সেই আবেদনে দেশে গণতন্ত্র রক্ষার কথা বলা হয়েছিল।সেই আবেদনে সারা দিয়ে রাজ্যের বুদ্ধিজীবিদের একাংশ এক আবেদন জারী করেছেন।সেই বিবৃতি-তে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত,কৌশিক সেন-রা আবেদন করেছেন ফ্যাসীবাদী মোদী সরকার ও রাজ্যের মমতা সরকার-এর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য।রাজ্যের বুদ্ধিজীবিদের আবেদন—
“গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে , দেশজুড়ে ধর্মান্ধতা , ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতাকে মদত দেওয়া রাষ্ট্রশক্তি বিজেপিকে উৎখাত করার ডাক দিয়েছেন ভারতবর্ষের বিশিষ্ট চিত্রপরিচালক, চিত্রশিল্পী, সাহিত্যিক এবং চিন্তাবিদরা। এদের মধ্যে আছেন গিরিশ কারনাড, নাসিরুদ্দিন শাহ, অমল পালেকরের মতো মানুষ। আমরা এই আহ্বানকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি।
পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক ধ্যান-ধারণার দ্রুত বিস্তার, রাজ্যজুড়ে প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে বাধাদান, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নির্লজ্জ পেশিশক্তির প্রয়োগে বাধাদান ইত্যাদি বিষয়ে শাসক তৃণমূল দলের ভূমিকাও অত্যন্ত নিন্দনীয়।
আমরা তাই এই রাজ্যের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী বিজেপি এবং স্বৈরাচারী তৃণমূলকে আসন্ন ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, তরুণ মজুমদার, অধ্যাপক অমিয় বাগচী, অর্ধেন্দু সেন, ওয়াসিম কাপুর, সব্যসাচী চক্রবর্তী, অশোক গঙ্গোপাধ্যায়, স্বরূপ দত্ত, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, পবিত্র সরকার,কৌশিক সেন, অনীক দত্ত, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় সহ আরও বহু বুদ্ধিজীবি-র সাক্ষর রয়েছে এই বিবৃতি-তে।
কেন্দ্রের মোদী সরকারের সাথে সাথে রাজ্যের তৃণমূল-কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবি দের এই ঘোষনা পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে আলাদা প্রভাব ফেলতে পারে কি না,সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Leave a Reply