বাংলা নিউজ ২৪x৭ : বিজেপির নখ দাঁত বের হয়ে আসছে। আকাশে যুদ্ধের রব তুলছে মিডিয়া। কাশ্মীরে আবার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি। ভারত জুড়ে হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার চূড়ান্ত পর্যায়। দেশজুড়ে অস্থিরতা। এসব কেন ? উত্তর একটাই , সামনেই লোকসভা ভোট।
মোদী বিরোধী জোট খুব শক্তিশালী ভাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ব্রিগেড সমাবেশে। কংগ্রেস , সিপিএম একের পর এক মোদী বিরোধী স্লোগানে মুখরিত করেছিল ভারতবর্ষের আকাশ। অন্যদিকে —-
মানুষ কে অনেক আশার বাণী দিয়ে কংগ্রেস সরকারকে হারিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছিল গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশজুড়ে দেশের ত্রাতা হিসাবে নিজেকে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছিলেন। কিন্তু ৫ বছরে আদানি অম্বানিদের উপকার ছাড়া কিছু করতে পারেনি তিনি। নোটবন্দি , কালোটাকা ইসু , ও রাফায়েল ঘোটালা নিয়ে প্রশ্নে জেরবার ছিলেন মোদী। একটা ও আশা জনক উত্তর দিতে পারছিলেন না।

ধর্মতলা চত্বরে ব্যানার – নিজস্ব চিত্র


তার ই মধ্যে হয়ে গেলো কাশ্মীরে সিআরপিএফ কনভয়ে হামলা। প্রাণ গেলো ৪২ জন জওয়ানের। ভারতীয় মিডিয়া আর মোদী তুললেন যুদ্ধের জিগির। এখন মজার বিষয় হলো – কাশ্মীর এখন রাষ্ট্রপতি শাসিত। সেখানে এমনিতেই সেনা বাহিনীর উপরে ষড়যন্ত্র চলে। তার উপর পুলওয়ামা হামলার আগাম খবর ছিল প্রধান মন্ত্রীর দপ্তরে। তাই সেনাদের অনুরোধ ছিল তাদের যেন প্লেন এ পাঠানো হয়। তাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন প্রধান মন্ত্রী। এরকম একটা পরিস্থিতিতে ৫ টা হাই সিকিউরিটি চেক পোস্ট পার হয়ে একটা ৩৫০ কেজি আরডিএক্স বোঝাই গাড়ি পাস্ হলো কি করে সেটাই আশ্চর্যের। এখানে গভর্মেন্টের খুব বিশ্বাসী লোক ছাড়া সম্ভব নয়। এই ব্যাপারে সব মিডিয়া নিশ্চুপ। মোদীর প্ল্যান ঘুরে গেলো। এটাকেই কাজে লাগিয়ে লোকসভা ভোটার প্রচারের রসদ পেয়ে গেলো বিজেপি।
রাস্তায় রাস্তায় পোস্টার। দেশজুড়ে শোকের আবহে রাজনৈতিক সভা , ট্রেন উদ্বোধন , সব কিছুই চালিয়েছে মোদী হাসি মুখে। যেন কিছুই হয়নি।
শহীদের রক্তের রাজনীতি বিজেপির মতো নির্লজ্য দল ছাড়া কেউ করেছে বলে মনে পড়ছেনা।

Leave a Reply